ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ বোল্টন বলেন, “ভারতের মতো চিনও রাশিয়া থেকে তেল কেনে। কিন্তু তাদের উপর কোনও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের কোপে পড়েছে শুধু নয়াদিল্লিই।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তান সরকার এবং পাক সেনাপ্রধান আসীম মুনির ট্রাম্পকে মোকাবিলা করার ভালো পন্থা বের করেছে। মোদিকে বলব, তিনি যেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দু’বার নোবেলের জন্য মনোনীত করেন। তাহলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।”
ভারতের ওপর প্রচুর শুল্কঃ প্রাক্তন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা ট্রাম্পকে নিন্দা
August 14, 2025
ওকে দু’বার নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করুক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাহলেই উনি ঠান্ডা হবেন। শুল্ক নিয়ে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তুলোধোনা করলেন আমেরিকার প্রাক্তন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন।
ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ বোল্টন বলেন, “ভারতের মতো চিনও রাশিয়া থেকে তেল কেনে। কিন্তু তাদের উপর কোনও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের কোপে পড়েছে শুধু নয়াদিল্লিই।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তান সরকার এবং পাক সেনাপ্রধান আসীম মুনির ট্রাম্পকে মোকাবিলা করার ভালো পন্থা বের করেছে। মোদিকে বলব, তিনি যেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দু’বার নোবেলের জন্য মনোনীত করেন। তাহলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।” বোল্টনের সংযোজন, “গত একমাস ধরে হোয়াইট হাউস ভারতের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে যাচ্ছে। ভুল যদি বড় হয়, তখন আস্থা এবং আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধার করতেও বেশি লাগে সময়।” একইরকম কথা বলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন প্রাক্তন ভারতীয় কূটনীতিবিদ বিকাশ স্বরূপও। তিনি বলেন, “ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতিতে ট্রাম্পকে কৃতিত্ব না দেওয়াতেই তিনি শুল্কবাণ নিক্ষেপ করেছেন।” পাশাপাশি, আমেরিকার সঙ্গে পাকিস্তানের বর্তমান সম্পর্ককে ‘স্বল্পমেয়াদী’ মেয়াদি বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন। তাঁর কথায়, “রাশিয়া থেকে ভারত এখনও তেল কেনা চালিয়ে যাচ্ছে। তার শাস্তিস্বরূপ বাড়তি কর বসানো হল ভারতীয় পণ্যের উপর।” অর্থাৎ এবার ভারতীয় পণ্যের উপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে আমেরিকা। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরেই দীর্ঘ বিবৃতি প্রকাশ করেছে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক। সেখানে বলা হয়, ‘গত কয়েকদিন ধরে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানির বিষয়টিকে টার্গেট করেছে আমেরিকা। এই বিষয়ে আমরা নিজেদের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছি। বাজারের পরিস্থিতি এবং দেশের ১৪০ কোটি মানুষের শক্তিসম্পদের চাহিদার দিকে নজর রেখে আমদানি করা হয়।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তুলোধোনা করে বিদেশমন্ত্রকের তরফে আরও বলা হয়, ‘অন্য বহু দেশ নিজেদের জাতীয় স্বার্থের কথা ভেবে একই কাজ করছে। কিন্তু আমেরিকা কেবল ভারতের উপরেই অতিরিক্ত শুল্ক চাপাচ্ছে, এটা যথেষ্ট দুর্ভাগ্য়জনক। মার্কিন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বলতে চাই, এই সিদ্ধান্ত অন্যায্য, অযৌক্তিক এবং অন্যায়। নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে সুরক্ষিত করতে সমস্তরকম পদক্ষেপ করবে ভারত।’
We hate spam as much as you do