Tranding

11:01 AM - 22 Mar 2026

Home / Politics / সোনিয়ার ডাকে বিরোধী দলের বৈঠকে মমতা ব্যানার্জীকে ডাকা হল না।

সোনিয়ার ডাকে বিরোধী দলের বৈঠকে মমতা ব্যানার্জীকে ডাকা হল না।

সোনিয়া গান্ধীর ১০, জনপথের বাসভবনে দেখা করেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার, জেএন্ডকে ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লাহ, শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত, ডিএমকে নেতা টি আর বালু এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সোনিয়ার ডাকে বিরোধী দলের বৈঠকে মমতা ব্যানার্জীকে ডাকা হল না।

সোনিয়ার ডাকে বিরোধী দলের বৈঠকে মমতা ব্যানার্জীকে ডাকা হল না।  


সংসদে যৌথ কৌশল নিয়ে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন সোনিয়া গান্ধী, মমতার তৃণমূল কংগ্রেসকে ডাকা হয় নি। এছাড়া বিএসপি, সমাজবাদী পার্টি ও আপকেও ডাকা হল না।


কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী মঙ্গলবার বিরোধী নেতাদের একটি গ্রুপের সাথে দেখা করেছেন এবং সংসদে একটি যৌথ কৌশল তৈরি করার জন্য তাদের সাথে পরামর্শ করেছেন, ।


সোনিয়া গান্ধীর  ১০, জনপথের বাসভবনে দেখা করেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার, জেএন্ডকে ন্যাশনাল কনফারেন্সের  ফারুক আবদুল্লাহ, শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত, ডিএমকে নেতা টি আর বালু এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি সহ অন্যান্য  নেতৃবৃন্দ।  


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের   সাথে কংগ্রেসের সাম্প্রতিক বিরোধের কারনে , তাকে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, সূত্র জানিয়েছে।

সমস্ত বিরোধী শক্তিকে একত্রিত করার লক্ষ্যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই ধরনের আরও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে সুত্রের খবর।

 

বিরোধী দলগুলি ১২ জন রাজ্যসভার সাংসদের বরখাস্তের প্রতিবাদ করছে এবং তাদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করছে।

প্রাক্তন কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতা মল্লিকার্জুন খার্গও মঙ্গলবারের বৈঠকের অংশ ছিলেন

 

সূত্রের খবর, উদ্ধব ঠাকরে এবং ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। উভয়েই যথাক্রমে তাদের নেতা -- রাউত এবং বালু --কে পাঠিয়েছেন।

রাজ্যসভার বহিষ্কৃত সাংসদদের ওপর থেকে সাসপেনশন তুলতে শরদ পাওয়ারকে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডুর সাথে কথা বলতে বলেছেন বিরোধী দলের নেতারা। টিআর বালু জানান, কেন্দ্রের সমস্যা সমাধানের কোনও উদ্যোগ নেই। রাজ্যসভার কোনও সদস্যের ওপর এত কঠোর আচরণ করতে পারে না সরকার। 

এর আগে শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে ছিলেন ইউপিএ কি। তার কাজ কি। শরদ পাওয়ার তার চেয়ারপার্সন হয়ে কি করবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের তরফ থেকে জানানো হয় তৃণমূল নেত্রীর এই বক্তব্য আদপে বিজেপিরই সুবিধা করে দিয়েছে।

 

বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো কংগ্রেস নেতৃত্বকে খোঁচা দিয়ে বলেন ইউপিএ-র কোনও অস্তিত্ব নেই। জাতীয় স্তরে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আঞ্চলিক দলগুলিকে আহ্বান জানান মমতা। তবে মমতার এই উদ্যোগকে মোটেও ভাল চোখে দেখেননি কংগ্রেস নেতারা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে খোঁচা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "রাজনীতিতে ক্রমাগত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আপনি বেশিরভাগ সময় বিদেশে থাকতে পারেন না।"

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাঁধতে রাজি নন মুম্বই সফরে গিয়ে তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন। এর আগে দিল্লি সফরে গিয়ে মমতা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেননি। তিনি বলেছিলেন, কেন তিনি বারবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের ডাকা বৈঠকেই যোগ দেয়নি তৃণমূল সাংসদরা। যা নিয়ে কংগ্রেস তৃণমূল জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এদিনও কংগ্রেসকে বাদ রেখেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পথ তৈরি করেছেন। 

  
আগের দিন, লোকসভা এবং রাজ্যসভা উভয়ের বিরোধী সাংসদরা রাহুল গান্ধীর সাথে সংসদ কমপ্লেক্সের গান্ধী মূর্তি থেকে বিজয় চক পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিল করেছিলেন যে বিরোধীদের সংসদে গুরুত্বপূর্ণ  সমস্যাগুলি উত্থাপন করতে দেওয়া হচ্ছে না, । সংসদের এই নিস্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে  রাহুলের বক্তব্য  এটা একটি বিশাল বাড়ি এবং একটি মিউজিয়াম ।


তিনি সাংবাদিকদের বলেন.
"বিরোধীরা যেখানেই ইস্যু তুলতে চায়, সেখানেই তাদের দমন করা হয়। সরকার আমাদের ইস্যু তুলতে দেয় না। এটা গণতন্ত্রের হত্যা। আমরা সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই, কিন্তু আমাদের তা করতে দেওয়া হচ্ছে না।" 

 

 

Your Opinion

We hate spam as much as you do