এগরার সাহাড়া অঞ্চলের গোপীনাথপুর চাঁদকুড়ি গ্রামের বিস্ফোরণস্থলের চারপাশ থেকেই দেহগুলি একে একে উদ্ধার করে পুলিশ৷ বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বাড়ির পাশে থাকা একটি পুকুরের মধ্যে থেকেও অগ্নিদগ্ধ দেহ এবং দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে৷ যদিও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ অন্তত সাত জন আহতের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে৷
এগরায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত ৯ ! বাজি না অন্য কিছু?
May 16, 2023,
পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যু৷ আহত হয়েছেন সাত জন৷ অভিযোগ বাড়ির ভিতরেই বাজি কারখানার আড়ালে বেআইনি ভাবে এই বোমা তৈরির কাজ চলছিল৷
এ দিন দুপুরে আচমকাই সেরকম একটি বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে৷ বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে গোটা বাড়িটি উড়ে যায়৷ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-কে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অমরনাথ কে৷
খবর পেয়ে ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে পুলিশ ও দমকল৷ ঘটনাটি ঘটেছে এগরার সাহাড়া অঞ্চলের গোপীনাথপুর চাঁদকুড়ি গ্রামে৷
স্থানীয় বাসিন্দা কৃষ্ণপদ ওরফে ভানু বাগের বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে খবর৷ বোমা বাঁধার সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে বলে খবর৷ ভানু বাগ এলাকার পরিচিত তৃণমূল নেতা বলেই খবর৷
এগরার সাহাড়া অঞ্চলের গোপীনাথপুর চাঁদকুড়ি গ্রামের বিস্ফোরণস্থলের চারপাশ থেকেই দেহগুলি একে একে উদ্ধার করে পুলিশ৷ বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বাড়ির পাশে থাকা একটি পুকুরের মধ্যে থেকেও অগ্নিদগ্ধ দেহ এবং দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে৷ যদিও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ অন্তত সাত জন আহতের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে৷
এ দিন সকাল এগারোটা নাগাদ কৃষ্ণপদ ওরফে ভানু বাগের বাড়িতে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে৷ বিস্ফোরণের জেরে গোটা বাড়িটি উড়ে যায়৷ ওই বাড়ির চারপাশেই ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে পড়েছিলেন মৃত এবং আহতরা৷
ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-কে দেওয়া হয়েছে৷ যদিও বিরোধীরা এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, এনআইএ তদন্তে রাজ্য সরকারের আপত্তি নেই৷
বিস্ফোরণের বিকট শব্দে এ দিন গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে৷ এর পরেই প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন৷ দেখা যায়, গোটা বাড়িটি ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়েছে৷ ঘটনাস্থলে আশেপাশে ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে পড়েছিল মৃত এবং আহতদের দেহ৷ তবে যে মাপের বিস্ফোরণ ঘটেছে, তাতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে৷
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওড়িশা সীমানা লাগোয়া ওই এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে অনেক দিন ধরেই বেআইনি বাজি কারখানা চলছিল। এ নিয়ে পুলিশে একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। এ দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পরই পুলিশ কর্মীদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন গ্রামবাসীরা। পুলিশকর্মীদের মারধরও করা হয়৷
পুলিশ সুপার অমরনাথ কে দাবি করেছেন, ওই বাড়িটিতে আগেও বেআইনি বাজি তৈরির অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল৷ বাড়ির মালিককেও গ্রেফতার করা হয়৷ কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল, তার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করবে৷ খবর দেওয়া হয় বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকেও৷
We hate spam as much as you do