গ্রামটিতে একটি হিন্দুর ছেলের সঙ্গে একটি মুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়ের প্রণয় সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেই ঘটনাটি অবশ্য গ্রামের কেউ জানতেন না। মহরমের একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন মেয়েটি সঙ্গে ছেলেটি দেখা করে। এরপরেই দুজনে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। প্রথমে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যেই বাগযুদ্ধ শুরু হয়। পরে তা হিংসার আকার ধারণ করে। একে অপরকে মারধর করতে শুরু করে। গ্রামের একটি পার্কের সামনে রাখা একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়ানক হয়ে ওঠে। ঘটনায় আট জন আহত হন
ভিন ধর্মে প্রেম নিয়ে, কর্ণাটকে মহরমের অনুষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনায় নিহত দুই, আটক ২৫
কর্ণাটকের কপ্পালে মহরমের একটি অনুষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা দেখা দেয়। ঘটনায় কর্ণাটক পুলিশ এখনও পর্যন্ত মোট ২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনায় দুই জন নিহত হন। ছয় জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। একজনের অবস্থা গুরুতর। স্থানীয় হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
কোপ্পালের পুলিশ সুপার শুক্রবার বলেন, মহরমের দিন কোপ্পালের হুলিহাইদার গ্রামে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ঘটনার পরেই এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ২০ কিলোমিটার ২০ আগস্ট পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। গ্রামটিতে সতর্কতা মূলত ব্যবস্থা হিসেবে আট পুলিশ আধিকারিক ও আট কেএসআরপি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়, ঘটনার সময় স্থানীয় স্কুলে শিশুরা ছিল। পুলিশের উদ্যোগে শিশুদের বাড়িতে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করা হয়।
কোপ্পালের এসপি অরুনাংশু গিরি বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এই উত্তজেনার জেরে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। ঘটনায় পুলিশের তরফে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। ঘটনায় যু্ক্ত থাকার সন্দেহে ওই এলাকায় পুলিশ ২৫ জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। সংঘর্ষে আট জন আহত হয়েছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসার সময় পাশা ওয়ালি নামের ২২ বছরের এক যুবক ও ইয়েনাকাপা তালাভাদ নামের ৬০ বছরের এক প্রৌঢ়ের। স্থানীয় হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় এখনও এক ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে।
কীভাবে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সূত্রপাত হল? গ্রামটিতে একটি হিন্দুর ছেলের সঙ্গে একটি মুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়ের প্রণয় সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেই ঘটনাটি অবশ্য গ্রামের কেউ জানতেন না। মহরমের একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন মেয়েটি সঙ্গে ছেলেটি দেখা করে। এরপরেই দুজনে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। প্রথমে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যেই বাগযুদ্ধ শুরু হয়। পরে তা হিংসার আকার ধারণ করে। একে অপরকে মারধর করতে শুরু করে। গ্রামের একটি পার্কের সামনে রাখা একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়ানক হয়ে ওঠে। ঘটনায় আট জন আহত হন। তিন জনের অবস্থা গুরুতর। তার মধ্যে দুই জনের চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয়েছে। একজন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও ছেলেটি ও মেয়েটিকে উদ্ধার করে নিজেদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
We hate spam as much as you do