পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই সভা নিয়ে বাড়তি উৎসাহ রয়েছে। মূলত কৃষি, মজদুরদের নিয়ে এই সভা থেকে নির্বাচনের প্রাক্কালে জোরালো প্রচার শুরু করবে বামেরা বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের কৃষক, শ্রমিক সংগঠনের দাবিদাওয়া নিয়ে এদিনের সভা থেকে সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
হাওড়ায় সারা ভারত ক্ষেতমজুর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন শুরু।
15 Feb 2023,
সারা ভারত ক্ষেত মজুর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের সূচনা হাওড়ায়। সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।
সারা ভারত ক্ষেত মজুর সংগঠনের ১০ম কেন্দ্রীয় সম্মেলন সূচনা হল বুধবার। এদিন সকাল ১০ টা নাগাদ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে সম্মেলনের কাজ শুরু হয়।
হাওড়া শহরে সিপিএমের সারা ভারত ক্ষেত মজুর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন শুরু। সারা ভারত ক্ষেত মজুর সংগঠনের ১০ম কেন্দ্রীয় সম্মেলন সূচনা হল বুধবার। এদিন সকাল ১০ টা নাগাদ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে সম্মেলনের কাজ শুরু হয়। হাওড়া শহরের শরৎসদনে এই সম্মেলন চলতি সপ্তাহের ১৫ তারিখ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত চলবে।
সম্মেলনে যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন শরৎ সদনে। সম্মেলন শেষের দিন ১৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দুপুর ২ টো নাগাদ হাওড়ার বিজয়ানন্দ পার্কে আয়োজিত হবে প্রকাশ্য সমাবেশ। সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, এ বিজয় রাঘবন সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
এই বাম ক্ষেত মজুর কেন্দ্রীয় সম্মেলনের শেষদিনের সভায় কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের উপস্থিতিতে নিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস রয়েছে বাম কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে। গত সপ্তাহে বুধবার সিপিআইএম রাজ্য দফতর আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের মুজাফফর আহমেদ ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ৷ সেখানেই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে আসছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।
তবে সভার অনুমতি নিয়ে পুলিশের কোনও সদুত্তর পাওয়া না যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সেলিম। সাংবাদিক সম্মেলন থেকেই সেলিম জানান, পুলিশের তরফ থেকে সেদিন পর্যন্ত সমাবেশের জন্য কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি৷ একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আসবেন আমাদের রাজ্যে। সেক্ষেত্রে তাঁর নিরাপত্তার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।
তাঁর জন্য কোনও ব্যবস্থা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন সেলিম৷ তবে প্রশাসন অনুমতি না দিলেও সমাবেশ হবে৷ যে জায়গায় হওয়ার কথা, সেখানেই হবে বলে জোরালো দাবি করেন সেলিম।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই সভা নিয়ে বাড়তি উৎসাহ রয়েছে। মূলত কৃষি, মজদুরদের নিয়ে এই সভা থেকে নির্বাচনের প্রাক্কালে জোরালো প্রচার শুরু করবে বামেরা বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের কৃষক, শ্রমিক সংগঠনের দাবিদাওয়া নিয়ে এদিনের সভা থেকে সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
We hate spam as much as you do