ঘটনায় আহত দুই শিশু সহ বাকি আরও দুজনকে দ্রুত এসএসকেএমে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুরু হয়েছে চিকিৎসা। তবে হাসপাতাল সূত্রে খবর, আহত একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চেতলায় ঝুপড়িতে বিধ্বংসী আগুন, ঘটনায় আহত ২ শিশু-সহ চারজনের ঝলসে মৃত্যু
কলকাতা শহরের একেবারে মাঝে শহরের বুকে অগ্নিকান্ডের ঘটনা। চেতলার একটি ঝুপড়িতে এই আগুন লেগেছে বলে জানা যাচ্ছে। আগুনের তীব্রতা এতটাই যে খুব সহজেই তা ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, ভয়ঙ্কর এই আগুনের গ্রাসে একেবারে ঝলসে গিয়েছে ২ শিশু-সহ চার। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন।
দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ করছে তাঁরা। শুধু তাই নয়, ওই ঝুপড়িতে কেউ আটকে রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনায় আহত দুই শিশু সহ বাকি আরও দুজনকে দ্রুত এসএসকেএমে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুরু হয়েছে চিকিৎসা। তবে হাসপাতাল সূত্রে খবর, আহত একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে, ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছে পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরাও। তবে কীভাবে এই আগুন লাগল তা এখনও জানা যায়নি।
ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পুরো ঘটনার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি উড়ে যাওয়া ঘরগুলি দ্রুত সারিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ফিরহাদ।
জানা যায়, দুপুর একটার সময় হঠাত করেই ওই ঝুপড়িতে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই কালো ধোয়াতে ঢেকে যায় চারপাশ। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। প্রথমর ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। এরপর আরও বেশ কয়েকটি দমকলের ইঞ্জিনকে পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে।
দ্রুত আগুন নেভানোর ব্যবস্থা কিরা হয়। কিন্তু ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীকে। ছোট ছোট পাইপের সাহায্যে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। তবে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্ক তিরি হয়ে যায়। রীতিমত আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। আর তাতেই বিপত্তি বেঁধে যায়।
আগুনের লেলিহান শিখাতে কঝলসে যেতে হয় চারজনকেই। যাদের মধ্যে দুই জন বাচ্চাও আছে। এই মুহূর্তে আহতদের এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। তবে কি কারনে এই আগুন তা এখনও জানা যায়নি। তবে দমকলের প্রাথমিক ধারণা গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে এই আগুন ছড়াতে পারে।
তবে এদিন আগুন যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্যে দ্রুত বিভিন্ন ঘর থেকে গ্যাস সিলিন্ডারগুলিকে বার করে দেন দমকল কর্মীরা। ফলে বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রায় ঘন্টাখানেকের চেষ্টায় এই মুহূর্তে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসলেও এখনও ঘটনাস্থলে দমকল রয়েছে।
We hate spam as much as you do