Tranding

11:56 AM - 22 Mar 2026

Home / Sports / সিরিজ বাঁচল না ভারতের।দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শূন্য হাতে ফেরা নিশ্চিত

সিরিজ বাঁচল না ভারতের।দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শূন্য হাতে ফেরা নিশ্চিত

সিরিজ বাঁচল না ভারতের।দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শূন্য হাতে ফেরা নিশ্চিত

সিরিজ বাঁচল না ভারতের।দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শূন্য হাতে ফেরা নিশ্চিত

সিরিজ বাঁচল না ভারতের।দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শূন্য হাতে ফেরা নিশ্চিত


সিরিজ খুঁইয়ে শূন্য হাতে ফিরছে টিম ইন্ডিয়া। ভারতের হয়ে ব্যাট করতে নেমে এদিন দলকে উদ্ধার করেন কেএল রাহুল এবং ঋষভ পন্থ। হাফসেঞ্চুরি করে দলকে টানেন দুজনে।

ভারত: ২৮৭/৬ দক্ষিণ আফ্রিকা: ২৮৮/৩

 মরণ-বাঁচন ম্যাচে হেরে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শূন্য হাতে ফেরা নিশ্চিত করে ফেলল শুক্রবার। প্ৰথমে ব্যাট করে ভারত টার্গেট রেখেছিল ২৮৯ রানে। সেই রান তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকা ১১ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে ফেলল। ওপেনার জানেমান মালানের ৯১ এবং কুইন্টন ডিককের ৭৮ রানে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকা লক্ষ্যে পৌঁছল ৪৮.১ ওভারে। তাও মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে। টানা দুটো ম্যাচ জেতায় সিরিজের ফয়সালা এদিনই করে ফেলল প্রোটিয়াজরা। রবিবারের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ এখন নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়াল। টেস্টের পর ভারতকে হারতে হল একদিনের সিরিজেও।


ভারত স্কোরবোর্ডে ভদ্রস্থ রান তোলার পরে এদিনও ভারতকে ভুগিয়ে গেলেন বোলাররা। দুই প্রোটিয়াজ ওপেনার জানেমান মালান এবং কুইন্টন ডিকক শুরুতেই ১৩২ রানের জুটি গড়ার পরে ম্যাচ কার্যত একপেশে হয়ে দাঁড়ায়। এরপরে তেম্বা বাভুমা (৩৫), আইডেন মারক্রাম (৩৭), ভ্যান ডার ডুসেনরা (৩৭) করে দলকে জয়ে ফেরাতে কোনও ভুল করেননি।


ভারতীয় বোলাররা এদিনও কাঠগড়ায়। বুমরা একমাত্র ১০ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ১ উইকেট তুলে নিজের মান রেখেছেন। বাকিরা বিশ্রী বোলিংয়ের নমুনা তুলে ধরলেন। ভুবনেশ্বর কুমার ওভার পিছু নয়ের কাছে রান খরচ করলেন। দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং চাহাল নিজেদের কোটায় মোট ১১৫ রান খরচ করে নিলেন মাত্র এক উইকেট।

তার আগে এই ম্যাচটা জিততেই হবে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করেননি ক্যাপ্টেন কেএল রাহুল। ভারত দারুণ  শুরু করে অধিনায়ক রাহুল এবং শিখর ধাওয়ানএর হাত ধরে । দুজনে ওপেনিং জুটিতে ৬৩ রান তুলে দেন। তারপরে ধাওয়ান পার্ট টাইমার আইডেন মারক্রামের বলে ২৯ রানের আউট হয়ে যান।

 

ধাওয়ান ফেরার পরেই ভারতকে বড়সড় ধাক্কা দেন কেশব মহারাজ। বিরাট কোহলিকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দিয়ে। এরপরে ভারত ঘুরে দাঁড়ায় পন্থ এবং রাহুলের দুরন্ত হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে। এটাই পন্থের কেরিয়ারে পঞ্চম ফিফটি প্লাস স্কোর।

৬৪/২ হয়ে যাওয়ার পরে পন্থ-রাহুল জুটিতে ভারত ১১৫ রান যোগ করে ম্যাচে ভারতকে ফিরিয়ে আনে। তবে মাত্র চার রানের ব্যবধানে ভারত পরপর কেএল রাহুল (৭৯ বলে ৫৫) এবং ঋষভ পন্থ (৭১ বলে ৮৫) আউট হয়ে যান। শামসি ঋষভ পন্থের সঙ্গে ফেরান শ্রেয়স আইয়ারকেও।

 

ফের একবার যখন মিডল অর্ডারের ধসে পড়ার উপক্রম হয় সেই মুহূর্তে লোয়ার অর্ডারে ফের একবার হাল ধরলেন শার্দূল ঠাকুর। ২০৫/৭ হয়ে যাওয়ার পরে শেষদিকে শার্দূলের ব্যাট থেকে বেরোল ৩৮ বলে ৪০ রানের কার্যকরী ইনিংস। হাঁকালেন তিন বাউন্ডারি, এক ওভার বাউন্ডারি। ভেঙ্কটেশ আইয়ার (৩৩ বলে ২২) এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনও (২৪ বলে ২৫) ব্যাট হাতে অবদান রাখেন।

 

 

Your Opinion

We hate spam as much as you do