Tranding

06:52 PM - 04 Feb 2026

Home / National / গুজরাট সরকারকে সুপ্রিম প্রশ্ন "কেন শুধুই বিলকিস বানো মামলা আসামীদের মুক্তি দেওয়া হল?

গুজরাট সরকারকে সুপ্রিম প্রশ্ন "কেন শুধুই বিলকিস বানো মামলা আসামীদের মুক্তি দেওয়া হল?

বিলকিসের দোষীদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত একটি কারাগার উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কীসের ভিত্তিতে সেই কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাও জানতে চেয়েছে আদালত। বিচার না চলা সত্ত্বেও, কেন বন্দি মুক্তি বিষয়ে গোধরা আদালতের মতামত চাওয়া হয়েছিল, তাও জানতে চেয়েছে আদালত। আদালত আরও উল্লেখ করেছে, এই মামলার শুনানি হয়েছিল মহারাষ্ট্রের আদালতে। যে বিচারক তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন, তিনিও দোষীদের মুক্তি দেওয়া উচিত কিনা সেই প্রশ্নে না-ই বলেছিলেন। তারপরও কেন তাদের মুক্তি দেওয়া হল, তা জানতে চেয়েছে আদালত।

গুজরাট সরকারকে সুপ্রিম প্রশ্ন "কেন শুধুই বিলকিস বানো মামলা আসামীদের মুক্তি দেওয়া হল?

গুজরাট সরকারকে সুপ্রিম প্রশ্ন "কেন শুধুই বিলকিস বানো মামলা আসামীদের মুক্তি দেওয়া হল? 

Aug 18, 2023 


২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার সময় বিলকিস বানোকে গণধর্ষণ এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামিকে কীসের ভিত্তিতে মুক্তি দেওয়া হল? বৃহস্পতিবার (১৭ অগস্ট) গুজরাট সরকারের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিলকিস বানো মামলার আসামীদের মুক্তির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এবং বিচারপতি উজ্জল ভূঁইয়া-র বেঞ্চ প্রশ্ন করে, “মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এই অবস্থায় ১৪ বছর কারাবাসের পর তাদের কীভাবে মুক্তি দেওয়া হল? কেন অন্যান্য বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না? কেন বেছে বেছে এই আসামীদের এই নীতির সুবিধা দেওয়া হল? সংস্কার ও ফের সমাজে মেশার সুযোগ সবাইকে দেওয়া উচিত, শুধুমাত্র হাতেগোনা কয়েকজনকে দেওয়া অনুচিত। কেন আমাদের কারাগারগুলো উপচে পড়ছে? আমাদের তথ্য দিন।”


বিলকিসের দোষীদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত একটি কারাগার উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কীসের ভিত্তিতে সেই কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাও জানতে চেয়েছে আদালত। বিচার না চলা সত্ত্বেও, কেন বন্দি মুক্তি বিষয়ে গোধরা আদালতের মতামত চাওয়া হয়েছিল, তাও জানতে চেয়েছে আদালত। আদালত আরও উল্লেখ করেছে, এই মামলার শুনানি হয়েছিল মহারাষ্ট্রের আদালতে। যে বিচারক তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন, তিনিও দোষীদের মুক্তি দেওয়া উচিত কিনা সেই প্রশ্নে না-ই বলেছিলেন। তারপরও কেন তাদের মুক্তি দেওয়া হল, তা জানতে চেয়েছে আদালত।


গুজরাট সরকারের পক্ষে এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু। তিনি জানান, গুজরাটের ১৯৯২ সালের মওকুফ নীতি মেনে যথাযথ পদ্ধতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩২ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “জঘন্য অপরাধের পরও অপরাদীকে সংস্কারের সুযোগ দেওয়া উচিত।” এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা চলছে। সেখানে রাজ্যকে এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। বিলকিস বানোর আইনজীবী শোভা গুপ্তা বলেছেন, “এই বিষয়ে মহারাষ্ট্র রাজ্যের মত চাওয়া হয়নি। এমনকি, কেন্দ্রের মত জানতে চাওয়া হয়নি। বন্দি সুপ্রিম কোর্টের রায় ছিল শুধুমাত্র আসামী রাধেশ্যামের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে। গুজরাট সরকার সমস্ত দোষীকেই মুক্তি দিয়েছে।” প্রসঙ্গত, এই মামলার অন্যতম আসামী রাধেশ্যাম শাহ ১৫ বছর ৪ মাস জেলে থাকার কারণে মওকুফ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন। আদালত গুজরাট সরকারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দুই মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছিল।

Your Opinion

We hate spam as much as you do