নীতি আয়োগের প্রকাশিত সার্বিক স্বাস্থ্য সূচকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যোগীর রাম রাজ্য উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh)। শীর্ষে বাম শাসিত রাজ্য বামরাজ্য কেরল। সোমবার ২০১৯-২০ বছরের সার্বিক স্বাস্থ্য রিপোর্ট প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় সরকারের থিংক ট্যাঙ্ক নীতি আয়োগ।
স্বাস্থ্য সুচকে দেশে শীর্ষে কেরালা সবচেয়ে খারাপ উত্তরপ্রদেশ.নীতি আয়োগের রিপোর্ট
নীতি আয়োগের সূচকে তলানিতে উত্তরপ্রদেশ! বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিরও ফল খারাপ
সোমবার সার্বিক স্বাস্থ্য সূচকের বিচারে কেন্দ্রের তালিকাতেই যোগীর রাম রাজ্য৷ সবচেয়ে খারাপের তালিকায় থাকার পর বিজেপি নেতাদের উত্তরপ্রদেশের প্রশংসা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ।
নীতি আয়োগের প্রকাশিত সার্বিক স্বাস্থ্য সূচকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যোগীর রাম রাজ্য উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh)। শীর্ষে বাম শাসিত রাজ্য ভগবানের আপন দেশ কেরল। সোমবার ২০১৯-২০ বছরের সার্বিক স্বাস্থ্য রিপোর্ট প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় সরকারের থিংক ট্যাঙ্ক নীতি আয়োগ।
বিশ্বব্যাঙ্কের সহায়তায় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের উদ্যোগে এই রিপোর্ট তৈরি করেছে নীতি আয়োগ (Niti Aayog)। সেই তালিকা অনুযায়ী দ্বিতীয় এবং তৃতীয় রাজ্য হিসেবে রয়েছে তামিলনাড়ু এবং তেলেঙ্গানা। কেন্দ্রের তালিকা থেকেই স্পষ্ট, প্রথম তিনটি রাজ্যের তালিকায় নেই একটিও বিজেপি শাসিত রাজ্য। বরং যে রাজ্যকে মডেল হিসেবে তুলে ধরেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সেই রাজ্যই স্বাস্থ্যের বিচারে সবচেয়ে খারাপের তালিকায়, তাও কেন্দ্রের বিচারে!
সোমবার সার্বিক স্বাস্থ্য সূচকের বিচারে কেন্দ্রের তালিকাতেই যোগীর রাম রাজ্য৷ সবচেয়ে খারাপের তালিকায় থাকার পর বিজেপি নেতাদের উত্তরপ্রদেশের প্রশংসা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ছোট রাজ্যগুলির মধ্যে তালিকার শীর্ষে রয়েছে মিজোরাম। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে শীর্ষে রয়েছে দিল্লি এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ফলে, কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্টেই স্পষ্ট, বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যই ভাল অবস্থানে নেই।
নীতি আয়োগের এই রিপোর্ট কার্ড প্রকাশের আগেই বুস্টার ডোজ নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু করোনার বুস্টার ডোজ। স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনা যোদ্ধাদের এই ডোজ দেওয়া হবে। এছাড়াও কোমর্বিডি যুক্ত ষাটোর্ধ্ব নাগরিদেরও দেওয়া হবে করোনার ‘সতর্কতামূলক’ ডোজ। ৯ মাস আগে যাঁরা করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজটি পেয়েছেন তাঁদেরই আগে এই বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মোদি সরকার।
জানা গিয়েছে, আইসিএমআর এবং ফরিদাবাদের ট্রান্সলেশনাল হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট-এর উদ্যোগে পাঁচটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ডোজগুলির মধ্যে ব্যবধান ৯ মাসের রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১০ এপ্রিলের মধ্যে যাঁরা প্রাথমিক টিকাদানের সময়সূচিতে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন, তাঁরাই সতর্কতামূলক টিকার প্রাথমিক ডোজগুলি পাবেন। অর্থাৎ, প্রধানত স্বাস্থ্যপরিষেবা এবং করোনাযোদ্ধাদের প্রথম বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।
We hate spam as much as you do