আপাত দৃষ্টিতে মজার ক্রিকেট। খেলা উপভোগ করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল এককালের তাবড় তাবড় ক্রিকেটারদের। কিন্তু দিনের শেষে সেটাই মারাত্মক প্রতিযোগিতার আকার নিল। তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করলেন একসময়ের বিশ্বের অন্যতম সেরারা। মাঠে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ধরা দেন শেহবাগ। তবে তাঁর ব্যাটিং দেখা থেকে বঞ্চিত ইডেন
'মজার ক্রিকেটে' ইডেনে জ্বলে উঠলেন প্রাক্তন 'নাইট', বীরেন্দ্রদের বড় জয়
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
শুক্রবার রাতে পুরোনো ফর্মে ইরফান পাঠান। লেজেন্ডস লিগের বিশেষ ম্যাচে পাঠানি আন্দাজে ইন্ডিয়া মহারাজাসকে জেতালেন প্রাক্তন 'নাইট।' শুক্রবার রাতে ওয়ার্ল্ড জায়ান্টসকে ৬ উইকেটে হারায় বীরেন্দ্র শেহবাগের দল। ৮ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় ভারতের প্রাক্তনীদের নিয়ে গড়া দল। ৩৫ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন ইউসুফ পাঠান। তারমধ্যে রয়েছে ৫টি চার এবং ২টি ছয়। শেষদিকে নেমে ধুন্ধুমার ব্যাটিং আরেক পাঠান ভাইয়ের। তিনটে ছক্কা হাঁকান। ৯ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন ইরফান। নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান তোলে ওয়ার্ল্ড জায়ান্টস।
দুই পাঠানের যুগলবন্দিতে ৪ উইকেট খুইয়ে ১৮.৪ ওভারেই জয়সূচক রানে পৌঁছে যায় ইন্ডিয়া মহারাজাস। পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা পঙ্কজ সিং।
আপাত দৃষ্টিতে মজার ক্রিকেট। খেলা উপভোগ করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল এককালের তাবড় তাবড় ক্রিকেটারদের। কিন্তু দিনের শেষে সেটাই মারাত্মক প্রতিযোগিতার আকার নিল। তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করলেন একসময়ের বিশ্বের অন্যতম সেরারা। মাঠে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ধরা দেন শেহবাগ। তবে তাঁর ব্যাটিং দেখা থেকে বঞ্চিত ইডেন। মাত্র ৪ রানে ফিরে যান। টসে জিতে ইন্ডিয়া মহারাজাসকে ব্যাট করতে পাঠান ওয়ার্ল্ড জায়ান্টের অধিনায়ক জ্যাক কালিস। ওপেন করতে নেমে ৩১ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন কেভিন ও ব্রায়ান।
তিনি ছাড়া রান পান দীনেশ রামদিন। ২৯ বলে ৪২ করেন ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার। বাকি কেউ সুবিধা করতে পারেনি। পঙ্কজ সিংয়ের বোলিংয়ের সামনে ধরাশায়ী বিপক্ষের ব্যাটাররা। ৫ উইকেট নেন ভারতীয় পেসার।
রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই আউট হন বীরু। ৫০ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারতীয় কিংবদন্তিরা। চতুর্থ উইকেটে ১০৩ রান যোগ করেন তন্ময় শ্রীবাস্তব (৫৪) এবং ইউসুফ পাঠান (৫০)। এটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। শেষদিকে বাকি কাজটা সারেন পাঠান ব্রাদার্স। হোক না প্রাক্তনদের ম্যাচ, বিনা লড়াইয়ে এক চুল জমিও ছাড়েনি কেউই। প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করে ইডেনের গ্যালারি। আজ খেলার পরে কোনও স্পেশাল মেট্রো বা বাসের ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু তাসত্ত্বেও বীরুর দলের জেতার জন্য অপেক্ষা করে ক্রিকেট ভক্তরা। এটা বোধহয় শুধু কলকাতাতেই সম্ভব!
We hate spam as much as you do