Tranding

07:57 PM - 22 Mar 2026

Home / Politics / CPI(M) পশ্চিমবঙ্গ রাজ‍্য ২৭তম সম্মেলনের শুরু ,পতাকা তুললেন বিমান বসু

CPI(M) পশ্চিমবঙ্গ রাজ‍্য ২৭তম সম্মেলনের শুরু ,পতাকা তুললেন বিমান বসু

সিপিআইএমের 27তম রাজ্য সম্মেলন শনিবার থেকে হুগলির ডানকুনিতে শুরু হল সিপিএমের রাজ্য সম্মেলন ৷ সেই সম্মেলনের জন্য অর্থ সাহায্য নিতে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ খাম ৷ ওই খামেই পার্টি সদস্যদের পরিবারের লোকেদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে ৷ সেই টাকার জন্য রিসিট দেওয়া হচ্ছে । হুগলি জেলায় প্রায় 10 হাজার পার্টি সদস্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।

CPI(M) পশ্চিমবঙ্গ রাজ‍্য ২৭তম সম্মেলনের শুরু ,পতাকা তুললেন বিমান বসু

CPI(M) পশ্চিমবঙ্গ রাজ‍্য ২৭তম সম্মেলনের শুরু ,পতাকা তুললেন বিমান বসু

 Feb 22, 2025, 


রক্ত পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে হুগলী জেলার ডানকুনিতে শুরু হলো ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ২৭তম সম্মেলন। 
পতাকা উত্তোলন করেন প্রবীণ পার্টি নেতা বিমান বসু। শহীদ বেদীতে মাল্যদান করেন পার্টির পলিটিব্যুরো সদস্য প্রকাশ কারাত, মানিক সরকার, বৃন্দা কারাত, সূর্যকান্ত মিশ্র, এম এ বেবি, তপন সেন, অশোক ধাওয়ালে, নীলোৎপল বসু, রামচন্দ্র ডোম, পার্টি নেতা হান্নান মোল্লা, এছাড়া অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি মিতালী কুমার, অভ্যর্থনা কমিটির সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ। সকল প্রতিনিধি ও দর্শকদের পক্ষ থেকে পলিটব্যরো সদস্য তথা পার্টির রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। 

যে কোন কমিউনিস্ট পার্টি দুটি কর্মধারা থাকে একটি জননীতি খবরটির রণকৌশল রণনীতি বিশেষ পরিবর্তন যোগ্য নয় সমাজতন্ত্রের পতনের পর এবং নয়া উদারবাদী অর্থনীতির অগ্রগতির ফলে ২০০০ সালে সিপিআইএমকে তাদের রণীতির কিছুটা পরিবর্তন করা ঘটাতে হয়েছে। 


তারপর থেকে পার্টি রণনীতি অর্থাৎ কর্মসূচি বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু গোটা ভারতবর্ষের অবস্থা শেষ ১০-১৫ বছরে নানান পরিবর্তন ঘটেছে। অপেক্ষাকৃত উগ্র দক্ষিণ পন্থা, গোটা পৃথিবীর ট্রেন্ডস এর মত ভারতেয়ও বিস্তার লাভ করেছে। যারা এতদিন ধরে ভারতের যে লালিত বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের নীতি ও রাষ্ট্র পরিচালিত অর্থনীতি, তার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে উদ্যোগী হয়েছে। মূলত কোন কোন অর্থনীতিবিদ থেকে একে নয়া ফ্যাসিবাদ বলে চিহ্নিত করছেন।


 নিঃসন্দেহে কংগ্রেসের দীর্ঘ শাসনের পরে এক নতুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে বামপন্থী এবং কমিউনিস্টদের।এক্ষেত্রে প্রতি তিন বছর অন্তর কৌশলগত অবস্থানকে বদলাবার জন্য সিপিআইএমকে সম্মেলন করতে হয়। সমস্যা হলো সিপিআইএমের নিচের তলার এক বিরাট সংখ্যক কর্মী ভাবেন সম্মেলন মানে শুধু কমিটি গঠন করতে হবে কিন্তু জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রণকৌশল নির্ধারণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সেই কাজের জন্যই আগামী এপ্রিল মাসে সিপিআইএমের পার্টি কংগ্রেস বা কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেই কেন্দ্রীয় সম্মেলনের খসড়া দলিল ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের হাতে এসেছে। যা সংশোধন এবং সংযোজন করবার সুযোগ যে কোন মানুষের আছে আগামী 5ই মার্চের মধ্যে এই সংশোধন বা সংযোজনী পাঠাতে হবে। সেই পার্টি কংগ্রেসকে সামনে রেখে শাখা স্তর থেকে সিপিআইএমের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে কত জানুয়ারি মাস পর্যন্ত এরিয়া ও কিছু কিছু জেলা এবং ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি শেষ সম্মেলন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অনুষ্ঠিত হয়। আর আজ থেকে হুগলি জেলার ডানকুনিতে শুরু হলো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্মেলন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে 2011 এবং তার মাত্র তিন বছরের মধ্যে 2014 রাজ্য এবং কেন্দ্রে দুটি ভিন্ন চরিত্রের চূড়ান্ত বামপন্থা বিরোধী সরকার গঠিত হয় দীর্ঘ ৩৪ বছর পর একসঙ্গে এত বড় একটা আঘাত যা শুধুমাত্র শারীরিক নয় প্রগতিশীলতা মানসিক এবং চেতনা ও সংস্কৃতির উপর আঘাত যা চূড়ান্ত মেরুকরণ সৃষ্টি করে এবং বামপন্থীদের নির্বাচনে ভয়ংকর বিপর্যয় ডেকে আনে।  নিশ্চিতভাবেই গোটা রাজ্যে মানুষের আন্দোলনের এজেন্ডা নির্ধারিত হতে শুরু করে ধর্ম ও দুর্নীতি কে সামনে রেখে ফলে রোজগার বৃদ্ধির আন্দোলন গন শিক্ষা ও গণস্বাস্থ্যের জন্য আন্দোলনের পরিসর ক্রমশ ছোট হয়ে আসে মূলত পশ্চিমবঙ্গে গণআন্দোলনের এই পরিসর বৃদ্ধি করার পথই নির্ধারণ করা এই সম্মেলনের মুখ্য উদ্দেশ্য শুধুমাত্র নির্বাচনী সাফল্য নয়  গোটা রাজ্যে যে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ সৃষ্টি করা হচ্ছে গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার মোকাবিলা করাই এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ।


সিপিআইএমের 27তম রাজ্য সম্মেলন শনিবার থেকে হুগলির ডানকুনিতে শুরু হল সিপিএমের রাজ্য সম্মেলন ৷ সেই সম্মেলনের জন্য অর্থ সাহায্য নিতে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ খাম ৷ ওই খামেই পার্টি সদস্যদের পরিবারের লোকেদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে ৷ সেই টাকার জন্য রিসিট দেওয়া হচ্ছে । হুগলি জেলায় প্রায় 10 হাজার পার্টি সদস্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।
দলের হুগলির জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘‘পার্টির মেম্বাররা ছাড়াও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্মিলিত করার জন্য যার যেটুকু সামর্থ্য খামের মধ্যে টাকা দিয়ে পার্টি কমিটিকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে । এটা শুধুমাত্র হুগলি জেলার জন্যই চিন্তাভাবনা করা হয়েছে । জেলায় 10120 জন্য পার্টির সদস্য আছেন ৷ তাঁদেরকেই এই খাম দেওয়া হয়েছে ।তাঁরা অর্থ সাহায্য করছেন রাজ্যে সম্মেলনের জন্য । এতে বিপুল সাড়া মিলেছে ।’’

 

সিপিআইএমের রাজ্য কমিটির এক নেতা বলেন, "পার্টির যেকোনও কাজে মানুষের থেকেই রসদ সংগ্রহ করা হয় । তারই একটি ধাপ বলা চলে । আমাদের পার্টির রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমও ডানকুনিতে গিয়ে অর্থ সংগ্রহ করেছেন । এটা আমাদের একটা ধারাবাহিক কর্মসূচি ।"উল্লেখ্য, ডানকুনি টাউনশিপের ভিতরে শান্তি মঞ্চে  সম্মেলন শুরু হল । বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য স্মরণে নামকরণ হয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নগর এবং সীতারাম ইয়েচুরির স্মরণে সীতারাম ইয়েচুরি মঞ্চ । শনিবার বেলা 12টায় সূচনা হবে সম্মেলনের । শান্তি মঞ্চের চারিদিক সাজানো হয়েছে প্রয়াত সিপিআইএম নেতৃত্বের ছবি দিয়ে । সাড়ে পাঁচশো প্রতিনিধি সারা রাজ্য থেকে উপস্থিত এসেছেন ।

25 ফ্রেব্রুরারি দুপুর দু’টোয় সম্মেলন শেষে প্রকাশ্য সমাবেশ হবে ডানকুনি স্পোর্টিং মাঠে । সম্মেলনকে ঘিরে ডানকুনিতে তাই সাজ সাজ রব । মূল মঞ্চ যেমন সাজিয়ে তোলা হয়েছে, পাশাপাশি ডানকুনি শহর সেজে উঠেছে লাল পতাকায় ।

Your Opinion

We hate spam as much as you do