জানা গিয়েছে, নতুন করে ২০১৭-১৮ এবং ২০২০-২১ সমীক্ষা বছর তথা অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারের জন্য জরিমানা ও তার উপর সুদ বাবদ এই নোটিস ধরানো হয়েছে।
কংগ্রেসকে ১৭০০ কোটি টাকার আয়কর নোটিস, হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করতেই ধাক্কা
30th March 2024
লোকসভা ভোটের মুখে ফের বড় ধাক্কা কংগ্রেসের। প্রায় দশ বছরের পুরনো ফাইল টেনে এনে কংগ্রেসকে সম্প্রতি নোটিস ধরিয়েছিল আয়কর দফতর। সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে রিঅ্যাসেসমেন্ট দাবি করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছিল সাবেক জাতীয় দল। বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টে সেই মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কংগ্রেসকে এবার ১৭০০ কোটি টাকা করের নোটিস ধরাল আয়কর দফতর।
কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী বিবেক টাঙ্কা এ কথার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এ ব্যাপারে কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, নতুন করে ২০১৭-১৮ এবং ২০২০-২১ সমীক্ষা বছর তথা অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারের জন্য জরিমানা ও তার উপর সুদ বাবদ এই নোটিস ধরানো হয়েছে।
দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কেন্দ্রে ক্ষমতার বাইরে থাকায় কংগ্রেস এমনিতেই অর্থসংকটে ভুগছে। সম্প্রতি ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতেও দেখা গেছে যে জাতীয় দল হলেও তৃণমূলের থেকেও কম চাঁদা পেয়েছে কংগ্রেস।
দলের নেতাদের মতে, ভোটের প্রচারে কংগ্রেস যাতে কোনও টাকা খরচ করতে না পারে তার জন্যই ষড়যন্ত্র করে এই পদক্ষেপ করেছে মোদী সরকার। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পিটিশন জমা দিতে পারে কংগ্রেস।
কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইনজীবী বিবেক টাঙ্কা বলেন, যে রিঅ্যাসেসমেন্টের আবেদন জানানো হয়েছে, সে ব্যাপারে আয়কর দফতরের কোনও উৎসাহ নেই। নতুন করে যে নোটিস ধরানো হয়েছে তার সপক্ষেও কোনও কাগজপত্র দেওয়া হয়নি। বোঝা যাচ্ছে শুধু উসুল করে বিপাকে ফেলার জন্যই এই সব নোটিস ধরানো হচ্ছে।
আয়কর দফতর সূত্রে অবশ্য দাবি করা হচ্ছে যে, পর পর কয়েকটি অর্থবর্ষে ইলেক্টোরাল বন্ড বা অন্য খাত থেকে যে আয় হয়েছে কংগ্রেসের তাতে কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। সেই করের টাকাই চাওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে।
We hate spam as much as you do