১৯৪৬ সালে অমৃতসরে জন্ম তাঁর। ১৫ বছর বয়সে নর্দার্ন পাঞ্জাবের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। ১৯৬৮-৬৯ মরশুমে তিনি যোগ দেন দিল্লিতে। সেখানেই শেষ পর্যন্ত খেলেছেন। ১৯৭৮-৭৯ ও ১৯৭৯-৮০ মরশুমে দিল্লির অধিনায়কত্ব করেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে রঞ্জি ট্রফিতে দু’বার রানার্স হয়েছিল দিল্লি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বেদী ৩৭০টি ম্যাচে ১৫৬০টি উইকেট নিয়েছেন। কাউন্টি ক্রিকেটও খেলেন তিনি।
প্রয়াত ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি স্টার বিষান সিং বেদী
23rd October 2023
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের মধ্যেই চিরঘুমে বিষান সিং বেদী। চলে গেলেন ৭৭ বছর বয়সেই। ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যক্তিত্বের বিদায় নবমীর দিনেই।
১৯৬৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ভারতের হয়ে ৬৭টি টেস্ট ও ১০টি এক দিনের ম্যাচ ম্যাচ খেলেন তিনি। টেস্টে ২৬৬টি উইকেট। ওয়ান ডে ক্রিকেটে উইকেটের সংখ্যা ৭টি। ভারতীয় ক্রিকেটে পতৌদির পরে বেদী অধিনায়ক হয়েছিলেন। হৃদরোগেই মৃত্যু হল এই প্রাক্তন নামী স্পিনারের। রেখে গেলেন স্ত্রী অঞ্জু ও দুই সন্তান নেহা ও অঙ্গদ বেদীকে।
দু’বছর আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছিল বেদীর। দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়। অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছিল। এবার অবশ্য বাঁচানো গেল না তাঁকে। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন কিংবদন্তি স্পিনার। ২০২১ সালে বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। তারপর থেকে ঘরেই থাকতেন। সোমবার দুপুরে নিজ বাসভবনে চিরবিদায় নিলেন এই নামী প্রাক্তন।
১৯৪৬ সালে অমৃতসরে জন্ম তাঁর। ১৫ বছর বয়সে নর্দার্ন পাঞ্জাবের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। ১৯৬৮-৬৯ মরশুমে তিনি যোগ দেন দিল্লিতে। সেখানেই শেষ পর্যন্ত খেলেছেন। ১৯৭৮-৭৯ ও ১৯৭৯-৮০ মরশুমে দিল্লির অধিনায়কত্ব করেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে রঞ্জি ট্রফিতে দু’বার রানার্স হয়েছিল দিল্লি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বেদী ৩৭০টি ম্যাচে ১৫৬০টি উইকেট নিয়েছেন। কাউন্টি ক্রিকেটও খেলেন তিনি।
ভারতের প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচ জয়ে নায়ক ছিলেন তিনি। ১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপে পূর্ব আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১২ ওভারে আটটি মেডেন-সহ মাত্র ৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর দাপটেই পূর্ব আফ্রিকাকে ১২০ রানে আটকাতে পেরেছিল ভারত।
ভারতের স্পিন আক্রমণে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন বেদী। তাঁর সঙ্গে চন্দ্রশেখর, প্রসন্ন ও বেঙ্কটরাঘবন এই স্পিন চতুর্ভূজ সম্পদ হয়ে রয়েছে। বেদী ভূভারতে বহু অ্যাকাডেমির পরামর্শদাতাও ছিলেন।
অবসরের পরেও ভারতীয় ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সিএবি-র সভাপতি থাকার সময় তাঁকে এনে সিএবি-র বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করেছিলেন। ১৯৯০ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে ম্যানেজার ছিলেন বেদী। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দল নির্বাচন কমিটিতেও ছিলেন। মেন্টরের ভূমিকাতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে বেদীর প্রয়ানে শোকপ্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক ও কিংবদন্তি স্পিনারের বিদায়ে আমরা ব্যথিত। তাঁর পরিবার ও গুনমুগ্ধকারীদের সমবেদনা জানাই।
We hate spam as much as you do