কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ নিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের উপরে হস্তক্ষেপ করল না বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। কণ্ঠস্বরের নমুনার পরবর্তী প্রক্রিয়ার উপরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। জানিয়ে দিল ডিভিশন বেঞ্চ
"কাকুর"কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে প্রক্রিয়া চলবে, জানালো ডিভিশন বেঞ্চ
JANUARY 10, 2024,
সিঙ্গল বেঞ্চের পর ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ নিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের উপরে হস্তক্ষেপ করল না বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। কণ্ঠস্বরের নমুনার পরবর্তী প্রক্রিয়ার উপরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। জানিয়ে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। সেই মামলা প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ।
এদিন মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি সৌমেন সেন জানান, আইন অনুযায়ী প্রত্যেক অভিযুক্তের কিছু অধিকার থাকে। আইন অনুযায়ী তিনি এই নমুনা দিতে অস্বীকার করতে পারেন। ইডি তখন সওয়াল করে, ‘‘আমরা তদন্ত শেষ করব কীভাবে? গোটা রাজ্য আমাদের বিরুদ্ধে। প্রতি পদে তদন্তে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের তদন্তকারী আধিকারিকদের মারধর করা হচ্ছে। FIR করা হচ্ছে। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশে কী ভুল রয়েছে? তিনি তো নির্দেশে লিখেছেন যে, কণ্ঠস্বরের নমুনা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশ ছাড়া বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।’’
এরপরেই বিচারপতি সৌমেন সেন গোটা বিষয়টি নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেন৷ বলেন, ‘‘সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহা সঠিক কাজ করেননি। বিচারপতির তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে যখন এই একই বিষয়বস্তু নিয়ে মামলা বিচারাধীন তখন বিচারপতি অমৃতা সিনহার এই নির্দেশ সঠিক নয়। এটা বিচারবিভাগীয় পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে এবং বিচার বিভাগীয় আচরণ বিধির ক্ষেত্রে সঠিক উদাহরণ না। এটা মারাত্মক প্রবণতা। ED যদি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশ সম্পর্কে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে অবগত না করে তাহলে তারা ভুল কাজ করেছে। একটি বেঞ্চে যখন মামলা বিচারাধীন আছে তখন সেই নির্দেশ বাস্তবায়িত করার নির্দেশ কেন অন্য বেঞ্চ দেবে? ED-র উচিত ছিল বিচারপতির তীর্থঙ্কর ঘোষের দ্বারস্থ হওয়া।’’
গত সপ্তাহে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে শুনানির পর সুজয়কৃষ্ণকে হেফাজতে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে ইডি। সন্ধ্যায় ৭টা নাগাদ অ্যাম্বুল্যান্স ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে SSKM হাসপাতালে পৌঁছন ইডির আধিকারিকরা। প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে সম্পূর্ণ করা হয় যাবতীয় প্রক্রিয়া। রাত ৯টা ১৩ মিনিট নাগাদ হুইল চেয়ারে বসিয়ে সুজয়কৃষ্ণকে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলেন ইডির আধিকারিকরা। তখন সুজয়কৃষ্ণের পরনে ছিল পায়জামা, চাদর ও মুখে মাস্ক। সুজয়কৃষ্ণ উঠতেই ছুটতে শুরু করে অ্যাম্বুল্যান্স। জোকা ESI হাসপাতালের রাস্তা ধরে অ্যাম্বুল্যান্স।
We hate spam as much as you do