Tranding

12:15 PM - 22 Mar 2026

Home / Sports / নতুন সাজে রোম ! ইউরো কাপের ঝলমলে  উদ্বোধনে ইতালির ৩-০ তে জয় 

নতুন সাজে রোম ! ইউরো কাপের ঝলমলে  উদ্বোধনে ইতালির ৩-০ তে জয় 

করোনার বিভৎসতা কাটিয়ে উয়েফা ইউরোর রঙে এ দিন নিজেদের অনেক দুঃখ , অনেক নাগরিকের হঠাত্ চলে যাওয়ার কালো সময়  মুছে দিল রোম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুধুই রঙের খেলা ।

নতুন সাজে রোম ! ইউরো কাপের ঝলমলে  উদ্বোধনে ইতালির ৩-০ তে জয় 

নতুন সাজে রোম ! ইউরো কাপের ঝলমলে উদ্বোধনে ইতালির ৩-০ তে জয় 

ভালো নেই এই পৃথিবী। ধনী থেকে দরিদ্র সব দেশের সভ্যতার দুরবস্থা । বিষাক্ত এই মহামারী সময় মন ভারাক্রান্ত । গতবছর যন্ত্রণায় ছটফট করেছে সমস্ত ইউরোপ । এবার তাদের সচেতনতা দিয়ে করোনাকে বেশ খানিকটা মোকাবিলা করেছে। তাই 70000 হাজার দর্শকের স্টেডিয়াম রোমে 25% নামিয়ে এনে ইউরো 2020  এর উদ্বোধন হল।  স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের প্রত্যেককেই ভ্যাকসিন নিতে হয়েছে এবং করোনা নেগেটিভের প্রমাণ দেখাতে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইউরোর উদ্বোধন হয়। সেই অনুষ্ঠানের রঙিন মুহূর্তগুলি মনে রাখার মত।
করোনার বিভৎসতা কাটিয়ে উয়েফা ইউরোর রঙে এ দিন নিজেদের অনেক দুঃখ , অনেক নাগরিকের হঠাত্ চলে যাওয়ার কালো সময়  মুছে দিল রোম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুধুই রঙের খেলা ।

 


  
এ দিন রোমের স্টাডিয়ো অলিম্পিকোতে যে ভাবে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ইউরোর উদ্বোধন হল ।
ভারতীয় সময়ে শুক্রবার গভীর রাতে বাঁশি বাজল ইউরোর।
 ইতালি-তুরস্কের ম্যাচ দিয়ে এ বারের ইউরো শুরু হল। উদ্বোধনী ম্যাচেই তুরস্ককে ৩-০ হারায় ইতালি। করোনার কারণে আশা করা হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়তো জমকালো হবে না। কিন্তু উদ্বোধনেই মন ভরে গেল। 
 ফুটবল উপরের দিকে তুলে ধরে আনুষ্ঠানিক ভাবে ইউরোর সূচনা করেন ২০০৬ সালে ইতালির বিশ্বকাপজয়ী দলের দুই সদস্য আলেসান্দ্রো নেস্তা ও ফ্রাঞ্চেস্কো তোত্তি।
আন্দ্রেয়া বোচেলির কন্ঠে জনপ্রিয় 'নেসুন ডোরমা' গানটি নিঃসন্দেহে মন ভরিয়ে দিয়েছে। এ ছাড়াও মার্টিন গ্যারিক্স, বোনো এবং দ্য এজ মিলিত ভাবে ইউরোর থিম সং ‘উই আর দ্য় পিপিল’ খুব সুন্দর ভাবে ভার্চুয়ালি উপস্থাপনা করেন।

 

 

 

 শুরুর ম্যাচে ইতালির দাপট জানিয়ে দিল এই টুর্নামেন্টে ইতালি আবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইতে আছে।
তুরস্ককে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে এবারের ইউরো কাপের শুরুটা দুর্দান্তভাবে করল খেতাব জয়ের অন্যতম দাবিদার ইতালি। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হওয়ার পরেই ৫৩ মিনিটে আত্মঘাতী গোল করে বসেন তুরস্কের মেরি দেমিরাল। ৬৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান সিরো ইম্মোবিল। এরপর ৭৯ মিনিটে ইতালির হয়ে তৃতীয় গোল করেন লরেঞ্জো ইনসিগনে।
প্রশ্নাতীত প্রাধান্য নিয়ে খেলেছে ইতালি । ইতালির গোল লক্ষ্য করে তুরস্ক মাত্র তিনটি শট মারতে সক্ষম হয়। তার মধ্যে একটি শটও গোলে ছিল

 

 

না। সবকটিই বাইরে চলে যায়। অন্যদিকে, তুরস্কের গোল লক্ষ্য করে ইতালি ১৬টি শট নেয়। তার মধ্যে ৮টি শটই গোল ছিল, যা থেকে তিনটি গোল হয়। ইতালি ৮টি কর্নার পায়। সেখানে তুরস্ক মাত্র দুটি কর্নার পায়, যার মধ্যে একটি একেবারে খেলার শেষমুহূর্তে। ইতালির বল পজেশন ছিল ৬৩ শতাংশ আর তুরস্কের মাত্র ৩৭ শতাংশ।  সবদিক থেকেই এগিয়েছিল ইতালি।
নিশ্চিতভাবেই ঘরের মাঠে প্রায় ১৬ হাজার দর্শকের সামনে খেলা ইতালির উপর কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দর্শকদের আনন্দ দিল ইতালির ছন্দময় ফুটবল। আজুরিরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলার জন্য পরিচিত। কিন্তু এদিন বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে অসাধারণ আক্রমণাত্মক ফুটবলের পরিচয় দিল। 
ইতালির ডিফেন্সে এদিন ঝাঁ চকচক খেলেন অধিনায়ক জিওর্জিও চিয়েলিনি। তাঁর জন্যই শুরু থেকে শেষপর্যন্ত জমাট থাকে আজুরিদের রক্ষণ। শেষদিকে প্রায় গোল করে ফেলেছিল তুরস্ক। কিন্তু কর্নারের বিনিময়ে দলকে বাঁচিয়ে দেন চিয়েলিনি।

 

Your Opinion

We hate spam as much as you do