জানা গিয়েছে, ২৪ বছর বয়সী আন্দোলনরত ওই কৃষকের নাম শুভকরণ সিং। হরিয়ানা সীমানায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
উত্তাল হরিয়ানা! তরুণের মৃত্যু, কৃষক আন্দোলনে কাঁদানে গ্যাস
21 Feb 2024,
দ্বিতীয় দফার কৃষক আন্দোলনে ঝরল রক্ত। বুধবার ২৪ বছর বয়সী আন্দোলনরত এক তরুণ কৃষকের মৃত্যু হল হরিয়ানা শম্ভু সীমানায়। 'ডু অর ডাই' মনোভাব নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওয়া দিয়েছিলেন কৃষকরা। পুলিশও তাঁদের রুখতে সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। দিল্লি হরিয়ানা সীমানায় যে যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করা হয়েছিল কৃষকদের রুখতে। সেখানেই পুলিশের ছোড়া টিয়ার গ্যাসের জেরে ওই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। যদিও গোটা বিষয়টি অস্বীকার করেছে হরিয়ানা পুলিশ। তাদের কথায়, 'নো ওয়ান কিলড'।
জানা গিয়েছে, ২৪ বছর বয়সী আন্দোলনরত ওই কৃষকের নাম শুভকরণ সিং। হরিয়ানা সীমানায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কৃষকরা ফের একবার পথে। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য, পেনশন সহ একাধিক দাবি নিয়ে চার বছর পর ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কার্যত 'হাল্লা বোল' স্লোগান নিয়ে কোমর বেঁধেছেন কৃষকরা। ফের একবার হাজার হাজার কৃষক সীমানা দিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তাঁদের এই যাত্রা থামাতে দিল্লি পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, লাঠি নিয়ে প্রস্তুত। সম্প্রতি তিন থেকে চারবার কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিল কেন্দ্র। কিন্তু, তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে কোনওরকম সঠিক আশ্বাস না মেলার অভিযোগে দিল্লি চলো অভিযান অব্যাহত রেখেছেন কৃষকরা।
বুধবার সকাল থেকেই কৃষকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হরিয়ানা সীমানার শম্ভু বর্ডার। হরিয়ানা পুলিশের তরফে যদিও জানানো হয়েছে কোনও কৃষকের মৃত্যু হয়নি। তাঁদের বক্তব্য, 'এটা গুজব। দুই পুলিশ কর্মী এবং একজন কৃষক আহত হয়েছেন ধস্তাধস্তির সময়। এই উত্তেজনা মূলত ছড়িয়েছিল ডাটা সিং-খানাউরি সীমানায়। আহতদের চিকিৎসা চলছে।'
গোটা ঘটনা নিয়ে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতা জগজিৎ সিং দাল্লেওয়াল বলেন, 'পঞ্জাব-শম্ভু বর্ডারে ছিলাম আমরা। আমাদের উপর কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়েছে। আমাদের আঘাত করা হলে আমরাও তো বসে বসে দেখব না। অর্জুন মুন্ডা বলছেন ফের একবার তিনি আলোচনায় বসতে চান। যদি কোনও আলোচনা করতেই হয় তবে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিয়ে তা করা হোক।' সোমবারই কৃষকরা খারিজ করে দিয়েছিলেন মাত্র তিনটি ফসলের চুক্তিভিত্তিক সহায়ক মূল্যের প্রস্তাব।
We hate spam as much as you do