Tranding

01:38 PM - 04 Feb 2026

Home / Politics / বালিগঞ্জে সায়রার কড়া চ‍্যালেঞ্জ তৃণমূলকে ৭℅ থেকে ৩৫℅ , রাজ‍্যজুড়ে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত সিপিআইএমের

বালিগঞ্জে সায়রার কড়া চ‍্যালেঞ্জ তৃণমূলকে ৭℅ থেকে ৩৫℅ , রাজ‍্যজুড়ে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত সিপিআইএমের

মাত্র ১১ মাসের মধ্যেই চিত্রটা বদলে গেল। তৃণমূল জয়ের সরণিতে থাকলেও তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এল সিপিআইএম। বিজেপিকে সরিয়ে বামফ্রন্ট সমর্থিত সিপিআইএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম প্রবলতর প্রতিপক্ষ হয়ে উঠল তৃণমূলের। সা.রার লড়াইয়ে ১৫ রাউন্ডের শেষে তৃণমূলের বাবুল সুপ্রিয় মাত্র ১২ হাজার ১০৮ ভোটে এগিয়ে রয়েছে।

বালিগঞ্জে সায়রার কড়া চ‍্যালেঞ্জ তৃণমূলকে ৭℅ থেকে ৩৫℅ , রাজ‍্যজুড়ে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত সিপিআইএমের

বালিগঞ্জে সায়রার কড়া চ‍্যালেঞ্জ তৃণমূলকে ৭℅ থেকে ৩৫℅ , রাজ‍্যজুড়ে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত সিপিআইএমের 


সিপিআইএম লড়াইয়ে ফিরছে বাংলায়। অন্তত তেমনই আভাস বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফললে। বালিগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়কে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন সিপিএমের সায়রা শাহ হালিম। বাবুল সুপ্রিয় ১৫ রাউন্ড শেষে তাঁর অগ্রগমন ধরে রেখেছেন। কিন্তু সিপিএমের যেভাবে উত্থান হয়েছে তা বঙ্গ রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ।

 

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বালিগঞ্জ বিধানসভা ভোটে ৭০ হাজারেও বেশি ভোটে জিতেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি হারিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়কে। তিনি মাত্র ৩১ হাজার ২২৬ ভোট পেয়েছিলেন। সিপিএমের ফুয়াদ হালিম পেয়েছিলেন মাত্র ৮৪৭৪ ভোট। কংগ্রেসের কোনও প্রার্থী ছিল না।

 

কিন্তু মাত্র ১১ মাসের মধ্যেই চিত্রটা বদলে গেল। তৃণমূল জয়ের সরণিতে থাকলেও তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এল সিপিআইএম। বিজেপিকে সরিয়ে বামফ্রন্ট সমর্থিত সিপিআইএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম প্রবলতর প্রতিপক্ষ হয়ে উঠল তৃণমূলের। সা.রার লড়াইয়ে ১৫ রাউন্ডের শেষে তৃণমূলের বাবুল সুপ্রিয় মাত্র ১২ হাজার ১০৮ ভোটে এগিয়ে রয়েছে।

বালিগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল বিজেপি থেকে আসা বাবুল সুপ্রিয়কে। ফলে বিরোধীরা তাঁর বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার করেছিল। তারপরও বাবুল এগিয়ে রয়েছেন। তবে সুব্রত মুখোপাধ্যায় যেখানে ৭০ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন, সেখানে বাবুলের অগ্রগমন এখনও ১২ হাজার ১০৮-এ সীমাবদ্ধ। কিন্তু তার থেকেও বড় কথা বিজেপি ছিটকে দিয়ে সিপিএম এখানে প্রবলতর প্রতিপক্ষ হয়ে প্রতিভাত হয়েছে।


একুশের নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে উপনির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচনে দেখা যাচ্ছিল বিজেপিকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে আসছিল সিপিএম। তবে তৃণমূলের তুলনায় তারা থাকছিল দূরবর্তী দ্বিতীয় স্থানে। আর বলা যাবে না সিপিআইএম দূরবর্তী দ্বিতীয়। বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের ফলাফ দেখিয়ে দিল সিপিএম সত্যিই দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। সমানে সমানে টক্কর দিয়েছে শাসক দলের প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়কে। আর বিজেপি একেবারে ছিটকে গিয়েছে লড়াই থেকে।

ষষ্ঠ রাউন্ড পর্যন্ত সমানে সমানে বাবুলকে টক্কর দিয়ে গিয়েছিলেন সিপিআইএমের সায়রা। বাবুল প্রথম থেকেই এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু মাঝে কোনও কোনও রাউন্ডে ব্যবধান কমেছে। তাই বাবুল বিশাল ব্যবধান রচনা করতে পারেননি। এটা ঠিক যে উপনির্বাচনে অনেক কম ভোট পড়েছে এবার। প্রায় ২৩ শতাংশ কম ভোট পড়েছে, তার প্রভাব যে বাবুলের জয়ের মার্জিনে পড়তে চলেছে তা বলাই যায়। কিন্তু সিপিআইএমের উত্থানকে খাটো করে দেখা যাবে না কোনওভাবেই।

 সায়রা শাহ হালিম এবার প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তারা ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৫ হয়েছে। অর্থাৎ ৫ গুণ ভোট বাড়াতে তারা সমর্থ হয়েছে। আর বিজেপি ২০ শতাংশ থেকে কমে ৭ শতাংশ হয়েছে। অর্থার তারা ১৩ শতাংশ ভোট হারিয়েছে। কংগ্রেস আবার ৬ শতাংশ ভোট ফিরে পেয়েছে। অর্থার বিজেপির কাছে বিরাট সেটব্যাক হতে চলেছে বালিগঞ্জ।

Your Opinion

We hate spam as much as you do