Tranding

02:20 PM - 04 Feb 2026

Home / World / ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু কি দেশত‍্যাগ করে গ্রীসে চলে গেলেন?

ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু কি দেশত‍্যাগ করে গ্রীসে চলে গেলেন?

উল্লেখ্য, ‘উইংস অফ জায়ন’ নামে পরিচিত এই বোয়িং 767-338ER মডেলের বিশেষ কনফিগার্ড বিমানটি ইজরায়েলি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি ইজরায়েলের বিমান বাহিনীর কমান্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। আর এই বিমানের সাথে সবসময়ই যুদ্ধবিমান থাকে। তবে ঠিক কী কারণে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর বিমান গ্রীসে গেছে এবং আদৌ ওই বিমানে বেঞ্জামিন নেতানইয়াহু গ্রিসে গেছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু কি দেশত‍্যাগ করে গ্রীসে চলে গেলেন?

ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু কি দেশত‍্যাগ করে গ্রীসে চলে গেলেন?

14 Jun 2025

ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকারি বিমান ‘উইংস অফ জায়ন’-এর সঠিক অবস্থান নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিমানটি বর্তমানে গ্রিসের আকাশসীমায় অবস্থান করছে। এর আগে জানা যায় বিমানটি সাইপ্রাসে রয়েছে। তাহলে কি ইরানের হামলার ভয়ে দেশ ছেড়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী? সেই জল্পনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

একাধিক সূত্র মারফত জানা গেছে, বিমানটি এখন এথেন্স ফ্লাইট ইনফরমেশন রিজিয়নের (FIR) অধীনে রয়েছে। সাথে দুটি ইজরায়েলি যুদ্ধবিমান এসকর্ট হিসেবে রয়েছে। ওই বিমানে এথেন্সে নিযুক্ত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত নোয়াম কাটজও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয় নেতানিয়াহুর বিমান সাইপ্রাসে রয়েছে। যা পরবর্তীতে ভুল প্রমাণিত হয়।

উল্লেখ্য, ‘উইংস অফ জায়ন’ নামে পরিচিত এই বোয়িং 767-338ER মডেলের বিশেষ কনফিগার্ড বিমানটি ইজরায়েলি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি ইজরায়েলের বিমান বাহিনীর কমান্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। আর এই বিমানের সাথে সবসময়ই যুদ্ধবিমান থাকে। তবে ঠিক কী কারণে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর বিমান গ্রীসে গেছে এবং আদৌ ওই বিমানে বেঞ্জামিন নেতানইয়াহু গ্রিসে গেছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাডোলু এজেন্সিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিএনএন গ্রিস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ইরানের উপর ইজরায়েলের আক্রমণের পর তেল আবিব বিমানবন্দরে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই বিমানটি নোয়াম কাটজকে এথেন্সে নিয়ে আসে।

বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে, এফআইআর হল একটি নির্ধারিত আকাশসীমা যা বিমানের তথ্য এবং সতর্কতার মতো বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ পরিষেবা প্রদান করে। সূত্র অনুসারে ওই বিমানে রাষ্ট্রদূত কাটজই একমাত্র যাত্রী ছিলেন। অসমর্থিত সূত্র অনুসারে, ইরান ইজরায়েল সংঘাতের আবহে 'উইংস অফ জায়ন'-কে নিরাপদে রাখতেই আপাতত গ্রিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গ্রিস-ইজরায়েল সামরিক সহযোগিতা চুক্তি অনুসারে জরুরি পরিস্থিতিতে উভয় দেশের বিমানকে তাদের নিজ নিজ সামরিক বিমানবন্দরে যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণ স্থানান্তর এবং থাকার অনুমতি দেওয়া আছে।

Your Opinion

We hate spam as much as you do