Tranding

11:51 AM - 04 Feb 2026

Home / National / আজ ৬ই ডিসেঃ মথুরায় ১৪৪ ধারা, শাহী ইদগাহে কৃষ্ণমূর্তি বসানোর ঘোষনা কিছু দক্ষিণপন্থী সংগঠনের

আজ ৬ই ডিসেঃ মথুরায় ১৪৪ ধারা, শাহী ইদগাহে কৃষ্ণমূর্তি বসানোর ঘোষনা কিছু দক্ষিণপন্থী সংগঠনের

চারটি হিন্দুত্ববাদী চরম উগ্র দক্ষিনপন্থী গ্রুপ, অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা, শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি নির্মাণ ন্যাস, নারায়ণী সেনা এবং শ্রীকৃষ্ণ মুক্তি দল, এর আগের দিনে একটা বিতর্কিত কর্মসূচি পালনের অনুমতি চেয়েছিল।

আজ  ৬ই ডিসেঃ মথুরায় ১৪৪ ধারা, শাহী ইদগাহে কৃষ্ণমূর্তি বসানোর ঘোষনা কিছু দক্ষিণপন্থী সংগঠনের

আজ  ৬ই ডিসেঃ মথুরায় ১৪৪ ধারা, শাহী ইদগাহে কৃষ্ণমূর্তি বসানোর ঘোষনা কিছু দক্ষিণপন্থী সংগঠনের


বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীকে সামনে রেখে মথুরায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 

এর আগে মথুরার শাহী ইদগা মসজিদে শ্রীকৃষ্ণের মূর্তি বসানো নিয়ে প্রশাসনের অনুমতি চেয়েছিল হিন্দু মহসভা। কিন্তু তাদের ওই অনুরোধ খারিজ করা হয়েছে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, শান্তিভঙ্গ হতে পারে, এমন কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। এর আগে হিন্দু মহাসভার নেত্রী রাজ্যশ্রী চৌধুরী দাবি করেছিলেন, আগামী ৬ ডিসেম্বর বাবরি ধ্বংসের দিন তারা শাহি ইদগাহে শ্রীকৃষ্ণের মূর্তি বসাবেন। আর মহা-জলাভিষেক করে পুরো জায়গাটা পবিত্র করা হবে


 মথুরায় ৬ ডিসেম্বর, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীতে, কিছু দক্ষিনপন্থী দল শাহী ইদগাহ মসজিদের ভিতরে ভগবান কৃষ্ণের মূর্তি স্থাপনের হুমকি দেওয়ার পরে নিরাপত্তা রক্ষীদের  একটি ফ্ল্যাগ মার্চ করতে হয়।
 

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়।
এবছর  ৬ ডিসেম্বর ৩০তম বাবরি ধ্বংসের  আগে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মথুরায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, কর্মকর্তারা ৪ ডিসেম্বর বলেছেন।


চারটি হিন্দুত্ববাদী চরম উগ্র দক্ষিনপন্থী গ্রুপ, অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা, শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি নির্মাণ ন্যাস, নারায়ণী সেনা এবং শ্রীকৃষ্ণ মুক্তি দল, এর আগের দিনে একটা বিতর্কিত  কর্মসূচি পালনের অনুমতি চেয়েছিল।

 

অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার দাবী একটি মসজিদের পাশেই নাকি কৃষ্ণ  দেবতার "প্রকৃত জন্মস্থান" এ একটি কৃষ্ণ মূর্তি স্থাপনের অনুমতি চায় , যেটার কাছে এখানে একটি বিশিষ্ট মন্দিরের কাছাকাছি একটি মসজিদে রয়েছে বলে দাবি করেছে।

 

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নবনীত সিং চাহাল তাদের এই দাবীর অনুমতি দেননি , বলেছেন যে  এই কর্মসুচীর অনুমতি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না যা যেকোনো শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।

 

এদেরএকটি দল বলেছিল যে স্থানটিকে পবিত্র ও "শুদ্ধ" করতে "মহা জলাভিষেক" এর পর শাহী ইদগাহে প্রতিমা স্থাপন করা হবে।

 


এইগুলির পরিপ্রেক্ষিতে, নিরাপত্তার জন্য মথুরাকে তিনটি জোনে বিভক্ত করা হয়েছে, কাটরা কেশব দেব মন্দির এবং শাহী ইদগাহ যে অঞ্চলে পড়ে সেটিকে রেড জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। .

 

"মথুরার প্রতিটি এন্ট্রি পয়েন্টে পর্যাপ্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে," সিনিয়র পুলিশ সুপার গৌরব গ্রোভার বলেছেন।

তিনি বলেন, এসব প্রবেশপথে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

 

CrPC এর ১৪৪ ধারার অধীনে মথুরায় ইতিমধ্যেই নিষেধাজ্ঞা   জারি করা হয়েছে । ফলে  এলাকায় চার বা তার বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ।

 

শাহী ইদগাহের অভ্যন্তরে এই কৃষ্ণ মূর্তি স্থাপনের অনুষ্ঠান করার হুমকি এমন সময়ে এসেছে যখন স্থানীয় আদালত সপ্তদশ  শতকের পুরানো মসজিদের "অপসারণ" চেয়ে আবেদনের একাধিক আবেদনের শুনানি চলছে ।

 

শাহী ইদগাহ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক জেড. হাসান অবশ্য বলেছেন যে তিনি ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মথুরায় বসবাস করছেন এবং তার মতে এখানকার পরিবেশ সর্বদা সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং শান্তিপূর্ণ ছিল। 

 

মসজিদের স্থানান্তরের দাবিতে মামলাগুলো আদালতে বিচারাধীন, এবং আদালতে রায়কে সম্মান জানানো হবে, মসজিদের কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন।

 

সমস্যা হচ্ছে বাইরের রাজনৈতিক শক্তির মদত। যেখানে গত ৫০ বছরে হিন্দু মুসলমান পাশাপাশি বাস করছেন কোনো সমস্যাই নেই সেখানে বাইরে থেকে নানা তথ্য নিয়ে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। 

 

যদিও, মথুরা সঙ্ঘ পরিবারের এজেন্ডায় আগে থেকেই ছিল। কাশীও আছে। মথুরাতে এখন যা হচ্ছে তা সঙ্ঘ পরিবার নয়, ছোট কয়েকটি দক্ষিণপন্থি গোষ্ঠী করছে।’ সামনে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন , ‘মথুরার বিষয়টি নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে তা দেখার।’

 

বিরোধী দলগুলো বিশেষ করে সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশে ভোটের আগে সাম্প্রদায়িক উসকানি দিচ্ছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। যোগী আদিত্যনাথ তার ভাষণে এমন কথা বলছেন, এমন প্রসঙ্গ টানছেন, যাতে পরিস্থিতি খারাপ হতে বাধ্য। বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের দাবি, যোগী সরকার অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরির কাজ সুগম করছে। সপ্তদশ শতকের মসজিদটি সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে একটি মামলা এখন স্থানীয় আদালতে বিচারাধীন। স্থানীয় আদালত আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে। 

 

সমস্যা হচ্ছে বাইরের রাজনৈতিক শক্তির মদত। যেখানে গত ৫০ বছরে হিন্দু মুসলমান পাশাপাশি বাস করছেন কোনো সমস্যাই নেই সেখানে বাইরে থেকে নানা তথ্য নিয়ে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। 

 

Your Opinion

We hate spam as much as you do