গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিএ আন্দোলকারীদের কটাক্ষ করায় যেন আন্দোলনের তেজ আরও বেড়েছে। এই আবহে আজ শিয়ালদা ও হাওড়া থেকে ধর্মধলার শহিদ মিনারের উদ্দেশে এগিয়েছে সরকারি কর্মীদের মিছিল। এর জেরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলা।
হাওড়া-শিয়ালদা থেকে যৌথ সংগ্রাম মিছিল মহা সমাবেশ ডিএ আন্দোলনে, স্তব্ধ কলকাতা
30 Mar 2023,
আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল মহাসমাবেশের। তার ওপর গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিএ আন্দোলকারীদের কটাক্ষ করায় যেন আন্দোলনের তেজ আরও বেড়েছে। এই আবহে আজ শিয়ালদা ও হাওড়া থেকে ধর্মধলার শহিদ মিনারের উদ্দেশে এগিয়েছে সরকারি কর্মীদের মিছিল। এর জেরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলা।
এদিন বিভিন্ন জেলা থেকে প্রচুর সরকারি কর্মচারি এসে উপস্থিত হয়েছেন শিয়াদা এবং হাওড়ায়। আজ বেলা দেড়টা নাগাদ ডরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছয় এই জোড়া মিছিল। দু’টো মিছিল একইসময়ে ধর্মতলায় চলে আসায় কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে এদিন আসেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী, কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী।
এদিন বিভিন্ন জেলা থেকে প্রচুর সরকারি কর্মচারি এসে উপস্থিত হয়েছেন শিয়াদা এবং হাওড়ায়। আজ বেলা দেড়টা নাগাদ ডরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছয় এই জোড়া মিছিল। দু’টো মিছিল একইসময়ে ধর্মতলায় চলে আসায় কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে এদিন আসেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী, কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী।
সরকারকে তোপ দেগে এদিন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বলেন, 'এই রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও রকম সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ করা যাবে না। লাগাতার অসহযোগ আন্দোলন করতে হবে। যত দিন না দাবি আদায় হয়, তত দিন এই আন্দোলন চলবে।' এদিকে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফ থেকে বলা হয়, 'আমরা তিনটি দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাব। এআইসিপিআই অনুযায়ী কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দ্রুত মিটিয়ে দিতে হবে। সমস্ত শূন্যপদে দ্রুত এবং স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে এবং সরকারি বিভিন্ন পদে যোগ্য এবং অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী পদে নিযুক্ত করতে হবে।'
এদিকে এদিন ফের একবার ডিএ আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে আক্রমণ শানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ মমতা ফের বলেন, 'যাঁরা গণশক্তিতে কাজ করেন তাঁদের প্রত্যেকের স্ত্রী শিক্ষিকা। সব চিরকুটের চাকরি। জনগণের টাকা নিয়ে পেনডাউন করবেন? যারা পেনডাউন করেছেন তারা চিরকুটে চাকরি পেয়েছেন। সব ফাইল খুঁজে বের করতে বলেছি। টাকা নিচ্ছে। পেনশন নিচ্ছে। আরও চাই। আমরা ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী ১০৬ শতাংশ ডিএ দিয়েছি। সব বকেয়া মিটিয়ে দিয়েছি।'
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, 'কেন্দ্র তো ১৮ মাসের ডিএ আটকে দিয়েছে। আমরা সব বকেয়া মিটিয়েছি। পোস্টাল ব্যালটে বিজেপিকে ভোট দিয়ে মনে করছে বিজেপি পাইয়ে দেবে। তবে ত্রিপুরায় বলেছিল দেবে। দিয়েছে কি? ওখানে ১০ হাজার শিক্ষকের চাকরি গিয়েছে। একজনকেও নতুন করে চাকরি দিতে পারেনি। বিজেপি, সিপিএম মিলিয়ে কতজন বসে আছেন কোঅর্ডিনেশন কমিটির নামে। সব নথি সরিয়ে দেয়। সব দফতরকে খুঁজে দেখতে বলেছি। যত খুঁজবে তত মিলবে।
We hate spam as much as you do