অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুরের পাশাপাশি শর্ত দেওয়া হয়েছে, ‘নারদমামলা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেবেন না হেভিওয়েটরা। শুধুমাত্র নারদ মামলা নিয়ে কোনও মন্তব্য বা সাক্ষাৎকার নয়। সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য বা সাক্ষাত্কার নয়। কোনও তথ্য প্রমাণ বিকৃত করা চলবে না।’
নারদ মামলায় চার তৃণমূল নেতা মন্ত্রীর ২লক্ষ টাকা ব্যাক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর
নারদ মামলায় চার নেতা মন্ত্রী বিধায়কের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর হাইকোর্টে। ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়।
অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুরের পাশাপাশি শর্ত দেওয়া হয়েছে, ‘নারদমামলা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেবেন না হেভিওয়েটরা। শুধুমাত্র নারদ মামলা নিয়ে কোনও মন্তব্য বা সাক্ষাৎকার নয়। সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য বা সাক্ষাত্কার নয়। কোনও তথ্য প্রমাণ বিকৃত করা চলবে না।’
এদিন বেলা ১২ টা নাগাদ হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। এর পরেই অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর হয়। প্রথমেই বক্তব্য রেখে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল বলেন, ‘ অভিযুক্তদের শর্ত সাপেক্ষে জামিন দেওয়া যায় কীনা সে বিষয়ে ভাবছে আদালত।এ ব্যাপারে সিবিআইয়ের পক্ষে সওয়ালতকারী তুষার মেহতার মতামত চায় আদালত। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘অনেকদিন এই মামলা চলতে পারে।ততদিনের জন্য এই অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া যেতে পারে।চূড়ান্ত নির্দেশের পর প্রয়োজনে জামিন খারিজ করা যেতে পারে।' ‘মামলা ঠান্ডাঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে না’,তুষার মেহতাকে আশ্বস্ত করে জানান রাজেশ বিন্দল।
সিবিআই এর তুষার মেহতা দাবি করেন, এরা ছাড়া পেল প্রভাব খাটাতে পারেন। মামলা বন্ধও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তাঁকে আশ্বস্ত করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, মামলা চলবে।
প্রভাবশালী তত্ত্বে এই ভাবনার বিরোধিতা করে তুষার মেহতা বলেন, ‘জামিন দেওয়া হলেও চারজন যেন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি না হন, সেই নির্দেশ দেওয়া হোক।’
বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় বলেন, এঁরা মানুষের পরিষেবার কাজের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৭তে মামলা শুরু, আপনারা তখন তাঁদের গ্রেফতার করেননি।তাঁরা তখন যা প্রভাবশালী ছিলেন এখনও তাই আছেন।‘তাহলে এখন কেন গ্রেফতার ?’
এই জবাবের পর জামিন মঞ্জুর হয়।
We hate spam as much as you do