নওশাদের বক্তব্য তখন প্রায় শেষ। মঞ্চ ছাড়বেন। হঠাৎই কালো শার্ট পরা এক যুবক উঠে আসে দড়ি ডিঙিয়ে মঞ্চে। বা হাঁতে তাঁর হেলমেট ধরা। কী একটা যেন বলছিলেন। শুধু শোনা যায়, “সংখ্যালঘুদের জন্য কী করেছেন?” উত্তরও দেন নওশাদ। আশপাশ থেকে তখন অনেকেই বলতে থাকেন ‘ইনি কে?’ এসবের মাঝেই হঠাৎ ওই যুবক নওশাদকে ধাক্কা মারেন। ততক্ষণে ছুটে আসেন বাকি আন্দোলনকারীরা।
ডিএ মঞ্চে নওশাদের গায়ে হঠাৎ হাত তুলল এক ‘আগন্তুক’! কে এই যুবক?
Mar 18, 2023
ডিএ মঞ্চে নওশাদ সিদ্দিকির গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক দানা বেঁধেছে। কেন এই ধাক্কা তার স্পষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে এই ঘটনার পর নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “পরিকল্পনা করে এই আন্দোলনটাকে ভুলুন্ঠিত করার চেষ্টা করছিল। ধন্যবাদ যাঁরা আছেন, এখানে সকলেই শিক্ষিত মানুষ। তাঁকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। পুলিশের এখন কাজ সত্যটা জনমানসে আনা। কে এসেছিল, কেন এসেছিল সেটা সকলের সামনে আনা দরকার।” প্রশ্ন উঠছে ডিএ মঞ্চের নিরাপত্তা নিয়েও। এ প্রসঙ্গে নওশাদ বলেন, “এই মঞ্চকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের। কোর্ট থানাকে বলে দিয়েছে। দুঃখের বিষয় নিরাপত্তায় নিশ্চয়ই গাফিলতি আছে। সে জন্য এরকম হচ্ছে। আশা করছি আগামিদিনে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে। তেমনটা না হলে আদালতের কাছেই প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হবে।”
কে এই যুবক, সঠিকভাবে তাঁর পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে সূত্রের খবর, বাঁকড়ায় থাকেন তিনি। আন্দোলনকারীরা জানান, নিজেকে ইউটিউবার পরিচয় দিয়ে ঢুকেছিলেন ধরনামঞ্চের ভিতরে। এদিকে শনিবার ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি যান ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে। মঞ্চে বক্তব্য রাখছিলেন নওশাদ। সেই সময়ই ঘটে ঘটনাটি।
নওশাদের বক্তব্য তখন প্রায় শেষ। মঞ্চ ছাড়বেন। হঠাৎই কালো শার্ট পরা এক যুবক উঠে আসে দড়ি ডিঙিয়ে মঞ্চে। বা হাঁতে তাঁর হেলমেট ধরা। কী একটা যেন বলছিলেন। শুধু শোনা যায়, “সংখ্যালঘুদের জন্য কী করেছেন?” উত্তরও দেন নওশাদ। আশপাশ থেকে তখন অনেকেই বলতে থাকেন ‘ইনি কে?’ এসবের মাঝেই হঠাৎ ওই যুবক নওশাদকে ধাক্কা মারেন। ততক্ষণে ছুটে আসেন বাকি আন্দোলনকারীরা।
নওশাদের হাতে তখনও মাইক্রোফোন। নওশাদ বলতে থাকেন, ‘দাঁড়াও, দাঁড়াও ওকে কিছু কোরো না। এটা একটা নাটক, এটা একটা নাটক।’ ততক্ষণে পুলিশ ছুটে আসে। এগিয়ে আসে সংবাদমাধ্যম। তারপরই ভিড়ের মধ্যে দিয়েই ওই যুবককে নিয়ে বেরিয়ে যায় পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “এই ধরণের চড় বা শারীরিক হেনস্থা সমর্থন করি না। এটা সুস্থ রাজনীতি নয়। তবে এই মঞ্চ নাটকের মঞ্চ হয়েছে। নাটকের কোন অঙ্কে কে কী অভিনয় করছে সেটা বলা মুশকিল।”
We hate spam as much as you do