গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর মেলে যে, মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলির পায়দী-কোটমি জঙ্গলের কাছে একটি গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে তেন্দু পাতার চুক্তি নিয়ে দেখা করতে আসার কথা কাসানসুর দালামের মাওবাদী নেতাদের। সেই অনুযায়ীই গ্রামের চারপাশে জঙ্গলে ঘাটি গাড়ে পুলিশ।
নাগপুরে পুলিশের সাথে গুলির লড়াই ১৩ মাওবাদী হত । উদ্ধার বোমা গুলি আর সাহিত্যের বই
শুক্রবার ভোরে নাগপুরের বিদর্ভে পুলিশি অভিযান চালিয়ে খতম করা হল ১৩ জন মাওবাদীকে। এখনও তল্লাশি অভিযান চলছে। গোপন সূত্রে মাওবাদী জমায়েত হওয়ার খবর ছিল আগেই, সেই সুত্রেই পুলিশ এলাকা ঘিরে ফেলে।
গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর মেলে যে, মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলির পায়দী-কোটমি জঙ্গলের কাছে একটি গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে তেন্দু পাতার চুক্তি নিয়ে দেখা করতে আসার কথা কাসানসুর দালামের মাওবাদী নেতাদের। সেই অনুযায়ীই গ্রামের চারপাশে জঙ্গলে ঘাটি গাড়ে পুলিশ।
মাওবাদীরা গ্রামবাসীদের সঙ্গে দেখা করে ভোররাতে চুপিচুপি পালানোর চেষ্টা করলেও আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। শুরু হল গুলির লড়াই। জঙ্গলে কয়েক ঘণ্টা ধরে গুলির লড়াই চলার পর শেষমেশ পরাস্ত হয় মাওবাদীরা। সংঘর্ষস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় তাঁরা। ঘটনাস্থল থেকে এখনও অবধি মোট ১৩ জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও তল্লাশি অভিযান চলছে।
মহারাষ্ট্র পুলিশের সি-৬০ কম্যান্ডো ইউনিট গড়চিরোলির কাছে নকশালদের উপস্থিতির কথা জানতে পারে। গড়চিরোলির ডেপুটি ইন্সপেকটর জেনারেল সন্দী পাটিল বলেন, “মাত্র একদিন আগেই আমরা মাওবাদী উপস্থিতির খবর পাই। ভোর থেকে গুলির লড়াইয়ে এখনও অবধি ১৩ জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। আরও দেহ উদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি আমাদের কাছে বিশাল বড় সাফল্য।”
ঘটনাস্থল থেকে মাওবাদীদের দেহের পাশাপাশি প্রেসার কুকার বোমা সহ
কয়েকটি অস্ত্র, কিছু সাহিত্যের বই ও দৈনন্দিন প্রয়োজনের কয়েকটি সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।
We hate spam as much as you do