বুধবার নবীন বস্তি পশ্চিমের বাসিন্দা প্রবাল প্রতাপ সিংয়ের মেয়ে অঞ্জলি (20) বাড়িতে জল গরম করার জন্য বালতিতে ঢোকানো ইলেকট্রিক রড স্পর্শ করে তড়িদাহত হন । কিছুক্ষণের মধ্যেই অঞ্জলির অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে । এরপর তাঁকে আশংকাজনক অবস্থায় উত্তরপ্রদেশের আউরাইয়া জেলার বিধুনা সিএইচসি কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ যদিও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ৷
যোগীরাজ্যে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে মৃত বোনকে পিঠে বেঁধে বাইকে তুললেন দাদা
আবার এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী উত্তরপ্রদেশ ৷ অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে ছোট বোনের দেহ বাইকে বসিয়ে বাড়ি নিয়ে গেলেন তাঁর দাদা ও দিদি ৷ সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ঘটনার ভিডিয়ো ৷
বুধবার নবীন বস্তি পশ্চিমের বাসিন্দা প্রবাল প্রতাপ সিংয়ের মেয়ে অঞ্জলি (20) বাড়িতে জল গরম করার জন্য বালতিতে ঢোকানো ইলেকট্রিক রড স্পর্শ করে তড়িদাহত হন । কিছুক্ষণের মধ্যেই অঞ্জলির অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে । এরপর তাঁকে আশংকাজনক অবস্থায় উত্তরপ্রদেশের আউরাইয়া জেলার বিধুনা সিএইচসি কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ যদিও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ৷ অঞ্জলির মৃত্যুর খবরে সেখানে ভিড় জমে যায় ৷ মৃতার দেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য হাসপাতালের কাছ থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স দাবি করে তাঁর পরিবার ৷ কিন্তু কোনও অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ ৷আরও পড়ুন:ছত্তিশগড়ে মেয়ের মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে 10 কিলোমিটার হাঁটলেন বাবা, তদন্তের নির্দেশ প্রশাসনেরঅবশেষে অঞ্জলির দেহ বাইকে বসিয়ে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁর দাদা ও দিদি ৷ ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, অঞ্জলির দেহটি একটি ওড়না দিয়ে নিজের পিঠে বেঁধে নিয়েছেন তাঁর দাদা ৷ আর বাইকের পেছনে বসে অঞ্জলির দেহটি শক্ত করে ধরে রেখেছেন তাঁর দিদি ৷ জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্ত না করেই ওই অবস্থায় বাইকে বসিয়ে অঞ্জলির দেহ নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর বাড়িতে ৷ পথে তাঁদের এই মর্মান্তিক সফরের দৃশ্য ভিডিয়ো রেকর্ড করেন স্থানীয়রা ৷ সেই ভিডিয়োই সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ৷ এই ভিডিয়ো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে নেট নাগরিকদের মধ্যে ৷
যোগীরাজ্য এই হৃদয় বিদারক ভিডিও অনলাইনে প্রকাশের পর বুধবার কর্তৃপক্ষ এখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পোস্ট করা দুই ডাক্তারকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে একজন যুবক তার নুয়ে পড়া মৃত বোনের দেহকে একটি মোটরসাইকেল থেকে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছে।
চিফ মেডিকেল অফিসার ডাঃ শিশির কুমার ভার্মা বলেছেন ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরে, তদন্ত করা হয়েছিল এবং বিধুনায় অবস্থিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সুপারিনটেনডেন্ট, ডাঃ আভিচল পান্ডে এবং সেখানে পোস্ট করা ডাঃ কৃপারামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
মৃত অঞ্জলির ভাই আয়ুশ মোটরসাইকেলে উঠে তার শরীরকে পিঠে বেঁধে দোপাট্টা ব্যবহার করে। তার অন্য বোনও টু-হুইলারে উঠে পিছন থেকে লাশটি ধরেছিল, কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
পাঠাত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ ডাক্তারদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন।
হিন্দিতে একটি পোস্টে, তিনি লিখেছেন: "আউরাইয়া জেলার সিএইচসি, বিধুনাতে একটি বাইকে করে একটি মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার ভাইরাল ভিডিওর বিষয়টি ভালো করে দেখে , আমি সিএমওকে সুপারিনটেনডেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট ডাক্তারদের অপসারণের নির্দেশ দিয়েছি। একটি প্রতিকূল এন্ট্রি সহ সিএইচসি থেকে মামলা।"
সিএইচসি সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ পান্ডে, যে তার পদ থেকে অপসারিত হয়েছে, সে এই ঘটনা জানে না বলে জানিয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছে প্রধান বিরোধী সমাজবাদী পার্টি।
প্রাক্তন মূখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব তার বার্তা এক্স'-এ লিখেছেন
"যোগী সরকারের অধীনে স্বাস্থ্য পরিষেবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, ভাই একটি বাইকে করে তার বোনের মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে যায়," ।
আরো লেখেন "আউরাইয়ার বিধুনায় সিএইচসি-র বাইরে একটি বাইকে করে বোনের মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার খবরটি একটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জাজনক ঘটনা... উন্নয়নের বড় দাবি করা বিজেপি সরকারের প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করবেন না। লজ্জাজনক," ।
We hate spam as much as you do