রিপোটার্স উইদাউট বডার্স এর রিপোর্টে মোদি ক্ষমতায় আসার পরে কীভাবে সংবাদমাধ্যমকে বেশ কিছু বেনিয়া কুক্ষিগত করেছেন এবং সংবাদমাধ্যমের নিরপেক্ষতাকে কবরে পাঠিয়ে দিয়েছেন তাও উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, রিলায়েন্স কর্ণধার মুকেশ আম্বানি, যিনি আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত বন্ধু, তার হাতে ৭০টি সংবাদমাধ্যম রয়েছে। ওই ৭০টি সংবাদমাধ্যমের দর্শক-পাঠক সংখ্যা ৮০ কোটির মতো। মোদির আর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ধনকুবের গৌতম আদানি ২০২২ সালের শেষ নাগাদ এনডিটিভি কিনে নিয়েছেন। যার ফলে সংবাদ জগতের বহুত্ববাদ কার্যত কবরে চলে গিয়েছে।’
Press Freedom এ মোদীর ভারত আরও নীচে! ১৮০ দেশের ১৬১তম! পাকিস্তানও আন্তর্জাতিক সুচকে এগিয়ে
০৩ মে ২০২৩
সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক সূচকে আরও অবনতি হল ভারতের। বুধবার (৩ মে) সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা দিবসে আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’-এর তরফে প্রকাশিত ২০২৩ সালের রিপোর্ট ও সূচক অনুযায়ী, ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৬১তম স্থানে রয়েছে ভারত। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে যা সর্বনিম্ন।
২০২২ সালে এই তালিকায় ১৫০তম স্থানে ছিল ভারত। ২০২১ সালের সূচকে স্থান হয়েছিল ১৪২তম স্থানে। সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক সূচকে এখন পাকিস্তানও এখন নরেন্দ্র মোদীর ভারতের আগে। স্বাধীনতার পরে ৪ বার সেনাশাসন দেখা পড়শি দেশ এখন রয়েছে ১৫০তম স্থানে! ২০২২ সালে পাকিস্তান এই তালিকায় ১৫৭ নম্বরে থাকলেও তারা ৭ ধাপ উঠে এসেছে। ভারত নেমেছে ১১ ধাপ।
ওই সংগঠনের মতে, স্বাধীনতা সংগ্রামের ফসল ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এক সময় নিরপেক্ষ এবং প্রগতিশীল বলে মনে করা হত। কিন্তু মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই চিত্র বদলে গিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় আইন তত্ত্বগত ভাবে সাংবাদিকদের রক্ষা করার পক্ষে। কিন্তু মানহানি, আদালত অবমাননা ও জাতীয় সুরক্ষার ক্ষতি করার অভিযোগ সংক্রান্ত আইনগুলির অপব্যবহার করা হচ্ছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে। সরকারের সমালোচনা করলে সাংবাদিকদের নানা মামলায় ফাঁসানোও হচ্ছে।
রিপোটার্স উইদাউট বডার্স এর রিপোর্টে মোদি ক্ষমতায় আসার পরে কীভাবে সংবাদমাধ্যমকে বেশ কিছু বেনিয়া কুক্ষিগত করেছেন এবং সংবাদমাধ্যমের নিরপেক্ষতাকে কবরে পাঠিয়ে দিয়েছেন তাও উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, রিলায়েন্স কর্ণধার মুকেশ আম্বানি, যিনি আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত বন্ধু, তার হাতে ৭০টি সংবাদমাধ্যম রয়েছে। ওই ৭০টি সংবাদমাধ্যমের দর্শক-পাঠক সংখ্যা ৮০ কোটির মতো। মোদির আর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ধনকুবের গৌতম আদানি ২০২২ সালের শেষ নাগাদ এনডিটিভি কিনে নিয়েছেন। যার ফলে সংবাদ জগতের বহুত্ববাদ কার্যত কবরে চলে গিয়েছে।’
শুধু তাই নয়, কেন্দ্রে মোদি সরকার এবং বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতা দখলের পরেই বিরুদ্ধ মতের সাংবাদিকদের কণ্ঠরুদ্ধ করতে জেলে পুরছে, রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে মামলা দায়ের করছে, নানাভাবে হেনস্থা করছে। রিপোটার্স উইদাউট বডার্সের রিপোর্টকে স্বাগত জানিয়েছে দিল্লির সাংবাদিক ইউনিয়ন।’
We hate spam as much as you do