২ বহিরাগত বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেটের কাছে টাকার বিনিময় ভর্তি নিয়ে কথোপকথন চালিয়ে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ। এরকম গুরুতর বিষয় জানার পরেই অন্যান্য ছাত্ররা ওই দু'জনকে ধরে নিয়ে গিয়ে উপাচার্যের কাছে নিয়ে যান। পরে উপাচার্য তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে চুড়ান্ত দূর্নীতির অভিযোগের রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট
টাকা নিয়ে ভর্তির অভিযোগে ইতিমধ্যেই দুই বহিরাগতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বজন পোষণের পাশাপশি টাকা দিয়ে ভর্তির অভিযোগ উঠেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। টাকা নিয়ে ভর্তির অভিযোগে ইতিমধ্যেই দুই বহিরাগতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। যার ফলে জোড়া অস্বস্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জানা যাচ্ছে, যে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে তারা বহিরাগত। এর মধ্যে একজনের নাম সুরজ মুখোপাধ্যায় এবং অন্য জনের নাম সৌভিক মন্ডল। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তির জন্য কাউন্সেলিং চলছিল। সেই সময়ই ওই ২ বহিরাগত বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেটের কাছে টাকার বিনিময় ভর্তি নিয়ে কথোপকথন চালিয়ে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ। এরকম গুরুতর বিষয় জানার পরেই অন্যান্য ছাত্ররা ওই দু'জনকে ধরে নিয়ে গিয়ে উপাচার্যের কাছে নিয়ে যান। পরে উপাচার্য তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।
দু'জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ ছাত্রের নাম জানতে পেরেছে। তাদের মাধ্যমে ভর্তির বিষয়টি তারা ঠিকঠাক করছিল বলে জেরায় স্বীকার করেছে ধৃতরা। তবে এরকমভাবে ভর্তির ঘটনায় ভিতরের কেউ জড়িত আছে বলেই মনে করছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, ভিতরের কারও মদদ না থাকলে এভাবে ভর্তি করানো সম্ভব নয়। পুলিশের পাশাপাশি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্ত করছে ওই দুই ছাত্রের বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে নিয়োগে স্বজনপোষণের অভিযোগে করা মামলায় আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আরও তিন সপ্তাহ পর।
We hate spam as much as you do