Tranding

05:00 PM - 04 Feb 2026

Home / National / রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনই হাওড়ায় রেলের প্রেস বন্ধ, ৪০০ শ্রমিক কর্মহীন

রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনই হাওড়ায় রেলের প্রেস বন্ধ, ৪০০ শ্রমিক কর্মহীন

হাওড়ার ১৭০ বছরের ঐতিহ্যসম্পন্ন রেলের প্রিন্টিং প্রেস । ২২শে জানুয়ারী ২০২৪ থেকেই এখানে আর রেলের কোনো টিকিট ও কাগজপত্র ছাপানো হবে না ।১৮৫৫ সালে রেলের এই প্রিন্টিং প্রেস তৈরী হয়েছিল ।বর্তমানে কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৪০০ জন । হাওড়া স্টেশনের লাগোয়া এই প্রেসের ৯০০ একর জমি আছে । এখন কাঁচামালের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে উৎপাদন ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ।

রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনই হাওড়ায় রেলের প্রেস বন্ধ, ৪০০ শ্রমিক কর্মহীন

রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনই হাওড়ায় রেলের প্রেস বন্ধ, ৪০০ শ্রমিক কর্মহীন

২৩ জানুয়ারি ২০২৪

কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মোট চারবার পূর্ব রেলের প্রিন্টিং প্রেস বা ছাপাখানা বন্ধের নির্দেশিকা জারি করল। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার বিক্ষোভ দেখাল ইস্টার্ন রেলওয়ে মেন্স কংগ্রেসের (ইআরএমসি) প্রিন্টিং প্রেস ইউনিট। সচল প্রেস কোনওভাবেই বন্ধ করা যাবে না। এটাই মূল দাবি বিক্ষোভকারীদের।


হাওড়ার ১৭০ বছরের ঐতিহ্যসম্পন্ন রেলের প্রিন্টিং প্রেস । ২২শে জানুয়ারী ২০২৪ থেকেই এখানে আর রেলের কোনো টিকিট ও কাগজপত্র ছাপানো হবে না ।১৮৫৫ সালে রেলের এই প্রিন্টিং প্রেস তৈরী হয়েছিল ।বর্তমানে কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৪০০ জন । হাওড়া স্টেশনের লাগোয়া এই প্রেসের ৯০০ একর জমি আছে । এখন কাঁচামালের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে উৎপাদন ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ।


ইতোমধ্যেই Railway Land Developing Authority তৈরী হয়েছে । এরা রেলের সমস্ত অব্যবহৃত জমি একত্রিত করছে ।

 প্রেসটি হাওড়ার মুখরাম কানোরিয়া রোডে। রেলের সংরক্ষিত ও অসংরক্ষিত টিকিট দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে ছাপা হয়। এছাড়াও মানি অর্ডারসহ অন্যান্য ছাপার কাজও করে প্রেসটি। পূর্ব রেল তো বটেই, সংলগ্ন রেল জোনগুলিরও প্রয়োজনীয় কাজ এই ইউনিট করে থাকে। তবু, ৩ মে এখানে ‘ক্লোজার’ নোটিস দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস প্রভাবিত শ্রমিক সংগঠনের প্রতিবাদ কর্মসূচি তারই প্রতিবাদে। সংগঠনের সম্পাদক বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রেসটি বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে মোদি সরকার। এখানকার কাজগুলি বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অথচ ২০০০ সালের পরে এখানে বিদেশি মেশিন এসেছে, হয়েছে আধুনিকীকরণ। আগেও তিনবার একই নির্দেশিকা জারি হয়। আমাদের প্রতিবাদের ফলেই তা স্থগিত হয়। প্রসঙ্গত, এখানে শ’চারেক কর্মী চাকরি করেন। সরকার তাঁদের অন্যান্য বিভাগে বদলি করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে অভিযোগ। ইআরএমসি নেতার বক্তব্য, কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে এই নির্দেশ আমরা মেনে নেব না। 

এই বিপুল পরিমান জমি ,এত কোটি কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ কি হবে?.
অনেক বেশী টাকা খরচ করে বাইরে থেকে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ছাপানো হবে কার স্বার্থে ?

Your Opinion

We hate spam as much as you do