দু’দিনের বাংলাদেশ সফরে গিয়ে এ কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ’৭১–এর মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলনের সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দাবিতে দেশের মাটিতে ‘সত্যাগ্রহ’ আন্দোলন করে জেলেও জেতে হয়েছিল তাঁকে, বলেন তিনি।
চট্টগ্রামে চার প্রতিবাদীর পুলিশের গুলিতে মৃত্যু নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকালে ২৬শে মার্চ
দেশ জুড়ে তীব্র প্রতিবাদ চলছে। ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শতবর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসার আগে থেকেই এই প্রতিবাদ চলছে। আজ পুলিশ জানিয়েছে প্রতিবাদের তীব্রতা এত ছিল যে কাঁদানে গ্যাস , জলকামানে কাজ হয়নি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটা বড় অধ্যায়। দু’দিনের বাংলাদেশ সফরে গিয়ে এ কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ’৭১–এর মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলনের সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দাবিতে দেশের মাটিতে ‘সত্যাগ্রহ’ আন্দোলন করে জেলেও জেতে হয়েছিল তাঁকে, বলেন তিনি।
নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াই আমার রাজনৈতিক জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আমি এবং আমার সহকর্মীরা সেই সময়ে ভারতে সত্যাগ্রহ আন্দোলন করেছিলাম। আমার বয়স তখন কুড়ি বাইশের কাছাকাছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার দাবিতে আমাদের জেলেও জেতে হয়েছে।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাতে এ দিন নরেন্দ্র মোদিকে ‘মুজিব জ্যাকেট’ পরতে দেখা গেছে। তিনি এই যুদ্ধের জন্য ইন্দিরা গান্ধীর প্রশংসা করেন।বক্তব্য শেষে বাংলাদেশের স্লোগান" জয় বাংলা" বলেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তখনকার কেন্দ্রে কংগ্রেস সরকারের ভূমিকা খুবই উজ্জ্বল । সম্ভবত পাকিস্তান ঘোষিত ভাবে ভারতের কাছে যুদ্ধে হেরে আত্মসমর্পণ করার ঘটনার কৃতিত্ব অবশ্যই জাতিয় কংগ্রেসই দাবি করতে পারে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই যুদ্ধকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়না। যেহেতু ভাষার পরিচয় এখানে ধর্মের
পরিচয়কে গুরুত্বহীন করে দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে এই কথাগুলো আলোচনা হবে কি ?
We hate spam as much as you do