নির্মলবাবুর ছেলে রণজয় মণ্ডল বলেন, ‘স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দেখেও কোনও হাসপাতাল ভর্তি নেয়নি। কোনও হাসপাতালে বেড নেই, তো কোনও হাসপাতালে চিকিৎসার যন্ত্রপাতি নেই বলে জানায়। পরে টাকা দিয়ে ভর্তি করলেও বেড নেই বলেছে। অনুরোধ করে, পায়ে ধরেও হল না।’ ঘটনায় ক্ষুব্ধ রণজয় স্বাস্থ্যসাথী কার্ডকে ভ্যালুলেস কার্ড বলেও কটাক্ষ করেছেন।
স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেখিয়েও মিলল না চিকিৎসা, বৃদ্ধের মৃত্যুতে উত্তেজনা
স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা পরিষেবা না মেলায় মৃত্যু হল দুর্ঘটনায় জখম বৃদ্ধের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নির্মল মণ্ডল (৬২)। দুর্গাপুরের ফরিদপুর থানার অন্তর্গত জব্বরপল্লি এলাকার বাসিন্দা। শনিবার দুপুরে একটি মোটরবাইকের ধাক্কায় জখম হন তিনি। পরিবারের দাবি, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও কোনও হাসপাতাল তাঁকে ভর্তি নেয়নি। ৫ হাসপাতালে ১৪ ঘণ্টা ধরে ঘুরেও চিকিৎসা পাননি তিনি। যার ফলে রবিবার ভোররাতে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার জেরে রবিবার ভোর থেকে দুর্গাপুরের জব্বরপল্লি এলাকায় ক্ষুব্ধ মৃতের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা পথ অবরোধ করেন। পরে পুলিশ ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের আশ্বাসে রবিবার সকাল ৮টা নাগাদ অবরোধ ওঠে।
নির্মলবাবুর ছেলে রণজয় মণ্ডল বলেন, ‘স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দেখেও কোনও হাসপাতাল ভর্তি নেয়নি। কোনও হাসপাতালে বেড নেই, তো কোনও হাসপাতালে চিকিৎসার যন্ত্রপাতি নেই বলে জানায়। পরে টাকা দিয়ে ভর্তি করলেও বেড নেই বলেছে। অনুরোধ করে, পায়ে ধরেও হল না।’ ঘটনায় ক্ষুব্ধ রণজয় স্বাস্থ্যসাথী কার্ডকে ভ্যালুলেস কার্ড বলেও কটাক্ষ করেছেন। এমনকি রোগীকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যাপারে পুলিশ-প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ।
একইসঙ্গে হাসপাতালগুলিকে কড়া বার্তা দিয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি বলেন, ‘যে হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেয়নি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করব। জেলাশাসককে অভিযোগ করব। আগামী দিনে কোনও মুমূর্ষু রোগী যাতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হয় তার ব্যবস্থা করা হবে।’
অবশ্য এই ঘটনা রাজ্য জুড়ে নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ আসছে।
We hate spam as much as you do