ঘটনাচক্রে, সেলিম বা সিপিআইএমের সঙ্গে বোঝাপড়া সম্পর্কে এই প্রথম মুখ খুললেন অধীর। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির এই মন্তব্যের অব্যবহিত আগেই আনন্দবাজার অনলাইনের সাক্ষাৎকার ভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘দিল্লিবাড়ির লড়াই: মুখোমুখি’তে সেলিমই তাঁর এবং অধীরের যুগলবন্দিকে ‘জুটি’ বলে উল্লেখ করেছেন। দু’জনে লড়ছেন পাশাপাশি আসনে।
"মহঃ সেলিম জিতে বসে আছেন " অধীরের ঘোষনায় বাম কংগ্রেস সমঝোতা দৃঢ়
০৩ এপ্রিল ২০২৪
মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে তৃতীয় দফায়, ৭ মে। কিন্তু সেই ভোটের ৩৫ দিন আগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস সমর্থিত সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিমের ‘বিজয় ঘোষণা’ করে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরী।
মঙ্গলবার সকালে বহরমপুরেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন অধীর। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘মহম্মদ সেলিম জিতে বসে আছেন। জিতবেন।’’ অতীতে একাধিক ভোটে দেখা গিয়েছে বাম ভোট কংগ্রেসের দিকে গেলেও, কংগ্রেসের ভোট সিপিএম তথা বামেদের দিকে যায় না। অস্বীকার না-করে অধীরের জবাব, ‘‘সেটা একটা পর্ব ছিল। কিন্তু সময় বদলায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাবনাও বদলায়।’’ অর্থাৎ অধীর নিশ্চিত, এ বার মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে কংগ্রেসের ভোট সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সেলিমের দিকে যাবে।
ঘটনাচক্রে, সেলিম বা সিপিআইএমের সঙ্গে বোঝাপড়া সম্পর্কে এই প্রথম মুখ খুললেন অধীর। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির এই মন্তব্যের অব্যবহিত আগেই আনন্দবাজার অনলাইনের সাক্ষাৎকার ভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘দিল্লিবাড়ির লড়াই: মুখোমুখি’তে সেলিমই তাঁর এবং অধীরের যুগলবন্দিকে ‘জুটি’ বলে উল্লেখ করেছেন। দু’জনে লড়ছেন পাশাপাশি আসনে।
অধীরের এই মন্তব্য নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘অধীর চৌধুরী জানেন সেলিম হেরে বসে আছেন। তাই ভোকাল টনিক দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাতে কাজ হবে না।’’
অধীরের এই মন্তব্য বাম শিবিরে উৎসাহ জুগিয়েছে। শুধু মুর্শিদাবাদ বা বহরমপুর নয় সারা পশ্চিমবঙ্গে অধীর এবং সেলিমের এই যৌথ উক্তি বাম কংগ্রেস সমঝোতাকে আরো সুদৃঢ় করতে সাহায্য করবে। উভয় দলই বহরমপুর এবং মুর্শিদাবাদ দুই কেন্দ্রে দু’টি ছবি তৈরি করতে চায়। সিপিআইএম চায়, অধীর যেন সেলিমের মনোনয়নের দিন মিছিলে থাকেন, আর সেলিম থাকুন বহরমপুরে। জ তা কেটে যাবে। ভোট ট্রান্সফার অনেক মসৃণ হবে।’’ অধীর চৌধুরীর এই ঘোষণার পর এই কাজ আরো সহজ হয়ে উঠলো।
We hate spam as much as you do