রিপোর্টের দাবি মোতাবেক ছাপা হওয়ার পর RBI -এর কাছে যাওয়ার মধ্যেই ১৭৬০ মিলিয়ন অর্থাৎ প্রায় ১৭৬ কোটি ৫০০ টাকার নোট রহস্যজনক ভাবে গায়েব হয়ে গিয়েছে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফে এ প্রসঙ্গে এখনও কোনও তথ্য সামনে আনা হয়নি।
ভয়ানক ঘটনা! RBI ছাপাখানা থেকে ৮৮০০০ কোটির ৫০০-এর নোট গায়েব?
18 Jun 2023
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রিন্টিং প্রেস থেকে গায়েব ৮৮০০০ কোটি টাকার ৫০০-এর নোট?
RBI News: রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ছাপাখানা থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা লোপাট হওয়ার অভিযোগ। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট ঘিরে উঠেছে প্রশ্ন।
নতুন ডিজাইন করা 500 টাকার নোট গায়েব হওয়ার অভিযোগ
RTI -এর উত্তরে এই তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
টাকা লোপাট হওয়ায় কেন্দ্র সরকারে নিশানা করতে ছাড়েনি বিরোধীরা
৮৮ হাজার কোটি টাকার কারচুপি? অভিযোগ উঠেছে খোদ আরবিআই-এর ছাপাখানার বিরুদ্ধে! একাধিক ইংরেজি মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, দেশের ট্যাঁকশালে নতুন ডিজাইন করা ৫০০ টাকার ৮৮১০.৬৫ মিলিয়ন নোট ছাপানো হয়েছিল। কিন্তু আরবিআই-এর কাছে এসে পৌঁছেছে তার মধ্যে মাত্র ৭২৬০ মিলিয়ন নোট। বাকি যে পরিমাণ নোট গায়েব হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, তার মূল্য প্রায় ৮৮০০০ কোটি টাকা! সম্প্রতি একটি RTI -এর উত্তরে এই তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যা নিয়ে দেশের আর্থিক মহলে বিরাট শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
রিপোর্টের দাবি মোতাবেক ছাপা হওয়ার পর RBI -এর কাছে যাওয়ার মধ্যেই ১৭৬০ মিলিয়ন অর্থাৎ প্রায় ১৭৬ কোটি ৫০০ টাকার নোট রহস্যজনক ভাবে গায়েব হয়ে গিয়েছে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফে এ প্রসঙ্গে এখনও কোনও তথ্য সামনে আনা হয়নি।
মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে,
মনোরঞ্জন রায় নামে এক ব্যক্তির করা RTI প্রসঙ্গ তুলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, RTI এর তথ্য মোতাবেক, নাসিকে নোটের ছাপাছানায় ২০১৫ থেকে মার্চ ২০১৬ এর মধ্যে ৫০০ টাকার প্রায় ৩৭৫.৪৫০ মিলিয়ন নোট ছাপিয়েছিল। কিন্তু রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে সেখানে পৌঁছেছে মাত্র ৩৪৫ মিলিয়ন নোট। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এখনও এ বিষয়ে মুখ না খোলায় গোটা ঘটনা এখনও জলঘোলা আকারেই রয়েছে।
প্রসঙ্গত দেশে ৩টি সরকারি ট্যাঁকশাল রয়েছে। যেখানে নোট ছাপানো হয়। এরমধ্যে একটি রয়েছে বেঙ্গালুরুতে, একটি রয়েছে নাসিকে ও অপরটি রয়েছে দেওয়াসে। নোট এই ট্যাঁকশালগুলোতে ছাপানো হয় ও পরে সারা দেশে চালু করার জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভল্টে পাঠানো হয়। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে এই নোট ছাপানো ও ভল্টে পাঠানোর মধ্যেই হয়েছে গলদ। আরটিআইকারী মনোরঞ্জন রায় বলেছেন যে ১৭৬০.৬৫ মিলিয়ন নোট, যেগুলি হারিয়ে গিয়েছে তা দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন সৃষ্টি করেছে।
খোদ RBI -এর ছাপাখানা থেকে ছাপানোর পরে টাকা লোপাট হওয়ায় কেন্দ্র সরকারে নিশানা করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলের নেতা অজিত পাওয়ার অভিযোগ করেছেন নাসিক, দেওয়াস এবং বেঙ্গালুরুতে কেন্দ্রীয় সরকারের কারেন্সি প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত বিলিয়ন বিলিয়ন ৫০০ টাকার নোট হারিয়ে গিয়েছে।
We hate spam as much as you do