প্রয়োজনে ব্যবহারকারীদের তথ্য সরকারকে জানাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপকে, এহেন এক নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে দিল্লি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল সংস্থা। স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, এনক্রিপশন ভাঙার কোনওরকম নির্দেশ সরকার দিলে বা বাধ্য করা হলে, তারা ভারতে পরিষেবা বন্ধ করে দেবে। এবিষয়েই কেন্দ্রের কাছে হোয়াটসঅ্যাপের অবস্থান জানতে চান কংগ্রেস এমপি। লিখিতভাবে তার জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, হোয়াটসঅ্যাপ বা মেটার তরফে এ সংক্রান্ত কোনও পরিকল্পনার কথা বলা হয়নি।
হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ হবে? নাগরিকের ব্যাক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করার জন্যই কি
২৯ জুলাই ২০২৪
মেসেজ এনক্রিপশন ভাঙার নির্দেশ এলে ভারতে পরিষেবা বন্ধের কথা আগেই বলেছিল জুকারবার্গের সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন করে চর্চায় সেই ইস্যু। রাজ্যসভায় হোয়াটসঅ্যাপের বক্তব্য জানতে চাইলেন কংগ্রেস এমপি। প্রশ্ন করা হয়, ভারতে পরিষেবা বন্ধ নিয়ে কী পরিকল্পনা সংস্থার। যা নিয়ে চিন্তা পড়েন ব্যবহারকারীরাও। কিন্তু জবাবে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জানান, এমন কোনও কথা জানানো হয়নি হোয়াটসঅ্যাপের তরফে। ফলে আপাতত দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই।
প্রয়োজনে ব্যবহারকারীদের তথ্য সরকারকে জানাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপকে, এহেন এক নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে দিল্লি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল সংস্থা। স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, এনক্রিপশন ভাঙার কোনওরকম নির্দেশ সরকার দিলে বা বাধ্য করা হলে, তারা ভারতে পরিষেবা বন্ধ করে দেবে। এবিষয়েই কেন্দ্রের কাছে হোয়াটসঅ্যাপের অবস্থান জানতে চান কংগ্রেস এমপি। লিখিতভাবে তার জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, হোয়াটসঅ্যাপ বা মেটার তরফে এ সংক্রান্ত কোনও পরিকল্পনার কথা বলা হয়নি।
প্রসঙ্গত, ব্যবহারকারীদের তথ্যাদি প্রকাশের নির্দেশিকা নিয়ে আদালতে হোয়াটসঅ্যাপের বক্তব্য ছিল, এটা তাদের এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন নীতির বিরোধী। ব্যবহারকারীরা নিরাপত্তার কারণেই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন।
এদিকে সরকারের বক্তব্য ছিল, আইটি রুল ২০২১ যদি প্রয়োগ করা না হয়, ভুয়া মেসেজের উৎপত্তিস্থল খোঁজা এজেন্সিগুলির কাছে কঠিন হয়ে যাবে। এই ধরনের মেসেজগুলি অন্যান্য মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে ঘুরে বেড়াবে। সমাজে শান্তি বিঘ্নিত হবে। তবে চিন্তার কিছু নেই, এবিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি জুকারবার্গের সংস্থা।
We hate spam as much as you do