সাধারণভাবে কোনও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে এনআইএ-র কাছে রিপোর্ট পাঠাতে হয়। যা পাঠানো হয়নি বলেই অভিযোগ। সরকারের সিদ্ধান্ত মতো দুটি বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত শুরু করে সিআইডি। সিআইডিও তাদের কোনও পর্যায়ের কোনও রিপোর্ট এনআইএ-র কাছে পাঠায়নি।
অনুব্রত গড়ের জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে NIA! সিআইডিকে নথি হস্তান্তরের নির্দেশ হাইকোর্টের
২০১৯-এর ২৯ অগাস্ট বীরভূমের সদাইপুরের রেঙ্গুনি গ্রামে হাইতুন্নিশা খাতুনের গোয়ালঘরে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের অভিঘাতে গোয়ালঘরটির পুরোটাই প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।
এরপরেই বিস্ফোরণটি হয় বীরভূমের লোকপুর থানার গাংপুর গ্রামে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে বাবলু মণ্ডলের বাড়ির টিনের চাল উড়ে যায়। তারও আগে বিস্ফোরণে এমনই অবস্থা হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিসের। পার্টি অফিসের বিস্ফোরণে অনুব্রত মণ্ডল বিজেপিকে দায়ী করেছিলেন।
সাধারণভাবে কোনও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে এনআইএ-র কাছে রিপোর্ট পাঠাতে হয়। যা পাঠানো হয়নি বলেই অভিযোগ। সরকারের সিদ্ধান্ত মতো দুটি বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত শুরু করে সিআইডি। সিআইডিও তাদের কোনও পর্যায়ের কোনও রিপোর্ট এনআইএ-র কাছে পাঠায়নি।
রাজ্যের থেকে নথি না পাওয়ার অভিযোগ করে এনআইএ আদালতে আপিল করেছিল। তারপরেই রাজ্যকে নির্দেশ দেয় আদালত। তবে এক্ষেত্রেও হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছিল রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের তরফে বলা গয়েছে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থার থেকে যেহেতু এনআইএ-র বিস্তৃতি আরও বেশি, সেই কারণে ন্যায় বিচারের স্বার্থে দুই মামলার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হল।
এব্যাপারে রাজ্যে পূর্বতন পুলিশ আধিকারিকরা বলছেন, হয়তো ভয় পাওয়ার কারণেই সিআইডির তরফে কোনও রিপোর্ট এনআইএ-র তাছে পাঠায়নি সিআইডি। কেননা সেই রিপোর্ট এনআইএ-র কাছে পাঠানো এলাকার এক বা একাধিক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার নাম জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল বলেও মনে করেন তাঁরা।
এদিন হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই এনআইএ-র আধিকারিকদের দেখা যায় ভবানীভবনে পৌঁছে যেতে। তবে তিন বছরে পরে এনআইএ কোন সূত্রে ধরে এগোবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। রাদ্যের তদন্তকারী সংস্থার পাঠানো রিপোর্টের পাশাপাশি সেই সময়কার প্রত্যক্ষদর্শীরাই এই ঘটনায় আলোতপাত করতে পারেন। ঘটনার পারিপার্শ্বিক প্রমাণ কতটা পাওয়া যাবে কিংবা আদৌ পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে ।
We hate spam as much as you do