বিশেষজ্ঞদের মতে ভারত যতটুকু সাফল্য অর্জন করতে পারল তা শুধুমাত্র সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার কারনে। অথচ সমস্ত সময় জুড়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যা স্বাধীনতা পরবর্তীকালে গ্রহণ করা হয়েছিল তাকে চুড়ান্ত বদনাম করে প্রাইভেট নার্সিং হোম এবং বেসরকারী চিকিৎসা ব্যবস্থার জয়গান গাওয়া হয়।
প্রথম ডোজ ১০০ কোটি দ্বিতীয় ২৯কোটি বেসরকারী নয় পূর্বতন সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থাই পারল
সরকারের ব্যবস্থাপনা প্রশংসাযোগ্য। দেশে এখনো মাত্র ২৯ কোটি নাগরিকের দ্বিতীয় ডোজ হলেও দেশব্যাপী ১০০ কোটি প্রথম ডোজ টিকাকরণের কাজ সম্পুর্ণ হয়েছে বলে ঘোষনা করা হয়েছে।
এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি ৩০কোটির কত শতাংশ প্রথম ডোজ এবং বিপুল বাকি প্রায় অনুরুপ ৯৯ কোটি মানুষের বাকি দ্বিতীয় ডোজ কবে সম্পন্ন হবে তা স্পষ্ট নয়। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী ৭৪% বয়স্ক প্রথম ডোজ পেয়েছেন। তারা সবাই এখনো দ্বিতীয় ডোজ পাননি।
যদিও কেন্দ্র একে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখাচ্ছে।
এদিন প্রধানমন্ত্রী তার ট্যুইটে লেখেন, “ভারত ইতিহাস রচনা করল। আমরা ভারতীয় বিজ্ঞান, শিল্পোদ্যোগ এবং ১৩০ কোটি ভারতীয়র সম্মিলিত প্রচেষ্টার জয়ের সাক্ষী রইলাম। ১০০ কোটি টিকাকরণ হওয়ার জন্য ভারতকে অভিনন্দন। আমাদের চিকিৎসক, নার্স এবং এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের কুর্নিশ।”
কিন্তু কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, ‘টিকাকরণ নিয়ে সরকারকে কুর্নিশ জানানো মানে সেই সব পরিবারকে অপমান করা। যারা সরকারি অব্যবস্থার কারণে করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত। প্রশংসা কুড়নোর আগে প্রধানমন্ত্রী সেই সব পরিবারের কাছে ক্ষমা চান।‘
বামপন্থী দলগুলির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এখনো বিপুল পরিমান দ্বিতীয় ডোজ বাকি। সেখানে সরকারের এই বিষয়ে সাফল্যের কথা বলা ঠিক নয়।
সবচেয়ে বড় কথা বিশেষজ্ঞদের মতে ভারত যতটুকু সাফল্য অর্জন করতে পারল তা শুধুমাত্র সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার কারনে। অথচ সমস্ত সময় জুড়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যা স্বাধীনতা পরবর্তীকালে গ্রহণ করা হয়েছিল তাকে চুড়ান্ত বদনাম করে প্রাইভেট নার্সিং হোম এবং বেসরকারী চিকিৎসা ব্যবস্থার জয়গান গাওয়া হয়। যা এই কেন্দ্রীয় সরকারের সময় বহুগুন বৃদ্ধি পেয়েছে।
We hate spam as much as you do