আরজি কর কাণ্ড নিয়ে কলকাতা সহ গোটা রাজ্য, গোটা দেশ সরব হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চলছে। অধিকাংশই ধৃতের ফাঁসি চাইছে। রাজ্যের তো বটেই, গোটা দেশের প্রায় সব মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলন করছেন আরজি কর ইস্যুতে।
রাজ্যজুড়ে বেনজির অরাজনৈতিক জনজোয়ার! রাত দখলের দাবি একটাই, শাস্তি চাই
15th August 2024
দাবি শুধু একটাই, শাস্তি চাই। কড়া শাস্তি। আরজি করের নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে স্বাধীনতার মধ্যরাতে রাত দখল করতে পথে নেমেছেন মহিলারা। তাঁদের স্লোগান, 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস।' যদিও মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষরাও এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হয়েছেন। আর এই প্রথমবার হয়তো বাংলা কোনও অরাজনৈতিক জনজোয়ার দেখল।
প্রকৃতপক্ষে এ যেন জনতার গর্জন। কোনও ঢিলেমি নয়, আরজি করের ঘটনায় দ্রুত বিচার দিতে হবে, দোষীকে কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। এই দাবিতেই সরব বাংলার নারীশক্তি। দেশের স্বাধীনতা দিবসে বাংলা জুড়ে মেয়েদের স্বাধীনতার এ যেন এক অন্য রূপকথা লেখা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে পুরুষরাও সামিল হয়ে বুঝিয়ে দিলেন সব ছেলেরা কোনও 'সঞ্জয় রায়' হয় না। মিছিল, স্লোগানে এ এক অন্য রাতের কথা লেখা হল।
আরজি কর হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে নৃশংসভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তার মধ্যেই স্বাধীনতার মাঝরাতে রাতের পথ দখল করতে নেমেছেন মহিলারা। এই 'রাত দখলের' প্রথম ডাক দিয়েছেন প্রেসিডেন্সি কলেজের এক প্রাক্তনী, রিমঝিম সিনহা। রাজনৈতিক রঙ ছেড়ে শুধুমাত্র নারী সুরক্ষার কথা ভেবে এই জমায়েতে সামিল হওয়ার বার্তা ছিল। তাতেই সাড়া দিয়েছে গোটা রাজ্য।
বেহালা, গড়িয়া, যাদবপুর, কলেজ স্ট্রিট, সখেরবাজার, দমদম, নিউটাউন, সল্টলেক সহ একাধিক জায়গায় হয়েছে এই জমায়েত। পাশাপাশি নৈহাটি, ব্যারাকপুর, খড়দহ, হাওড়া, লিলুয়া, হুগলি সহ বিভিন্ন জেলার বহু জায়গায় এই জমায়েত করা হয়েছে।
আরজি কর কাণ্ড নিয়ে কলকাতা সহ গোটা রাজ্য, গোটা দেশ সরব হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চলছে। অধিকাংশই ধৃতের ফাঁসি চাইছে। রাজ্যের তো বটেই, গোটা দেশের প্রায় সব মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলন করছেন আরজি কর ইস্যুতে। তার মধ্যেই স্বাধীনতা দিবসের সন্ধিক্ষণে রাত দখলের এই জমায়েত।
We hate spam as much as you do