Tranding

03:36 PM - 04 Feb 2026

Home / Others / মারণ ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আসছে   লকডাউন ছাড়া উপায় নেই। 

মারণ ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আসছে   লকডাউন ছাড়া উপায় নেই। 

সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য। ভাইরাস দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে। তবে এটা পরিস্কার নয়, কবে আছড়ে পড়বে তৃতীয় ঢেউ। তাই প্রস্তুতি সেরে নিতে হবে।”

মারণ ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আসছে   লকডাউন ছাড়া উপায় নেই। 

মারণ ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আসছে 
 লকডাউন ছাড়া উপায় নেই। 

সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য। ভাইরাস দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে: ডঃ কে বিজয়রাঘবন

এক বছরেই সারা বিশ্বের রূপ বদলে দিয়েছে একটি ভাইরাস।  সংক্রমণের প্রথম পর্বে মারণ কামড় বসিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল কোভিড (COVID)। দ্বিতীয় ঢেউ যেন আরও শক্তিশালী। রোজ শুধুই হাহাকার। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, আবার ফিরছে ভাইরাস। নতুন রূপে, নতুন ভাবে তৃতীয় ঢেউ আসছেই। চরম সতর্কবাণী শোনালেন কেন্দ্রের বিজ্ঞান উপদেষ্টা ডঃ কে বিজয়রাঘবন।

বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান উপদেষ্টা বিজয়রাঘবন। সেখানে তিনি বেশ কয়েকটি আশঙ্কার কথা জানিয়ে তার সঙ্গে লড়ার প্রস্তুতি সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, “সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য। ভাইরাস দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে। তবে এটা পরিস্কার নয়, কবে আছড়ে পড়বে তৃতীয় ঢেউ। তাই প্রস্তুতি সেরে নিতে হবে।”
সবচেয়ে চিন্তার যায়গা হল করোনা দ্রুত নিজেকে পরিবর্তন করছে। বদলে ফেলছে নিজের গঠনগত কাঠামো। তারপর পেরেন্ট ভাইরাসের মতোই লাগাতার একটা থেকে মুহুর্তে হাজার হাজার হচ্ছে । ফলস্বরূপ তৈরি হচ্ছে ভ্যারিয়েন্ট। সেই ভ্যারিয়েন্ট আবার গঠনগত প্রক্রিয়া বদলের কাজ চালাচ্ছে। তার ফলে ডিলিশন-মিউটেশনের মাধ্যমে ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনে অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিবর্তন হচ্ছে। 

এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে ভাইরাস ফাঁকি দিতে পারে ভ্যাকসিনকেও। 

এই সম্ভাবনার কথা বারবার বলছেন বিজ্ঞানীরা। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান উপদেষ্টা ডঃ কে বিজয়রাঘবনের মুখেও একই কথা। তিনি বলেন, “ভারতীয় বিজ্ঞানীরা তো বটেই সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা ভাইরাসের মিউটেশনকে মাথায় রেখে তা রোখার গবেষণা চালাচ্ছেন।”

ভ্যাকসিনের উন্নতিসাধন: বর্তমানে যে ভ্যারিয়েন্টগুলি ভারতে বা বিশ্বে ছড়িয়েছে তা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভ্যাকসিন দিয়েই রোখা সম্ভব। এ বিষয়ে আশ্বস্ত করলেও উদ্বেগের জায়গাটাও জানিয়েছেন ডঃ কে বিজয়রাঘবন। ভাইরাস যেভাবে নিজেকে বদলে ফেলছে, সেখানে ভ্যাকসিনেরও উন্নতিসাধন প্রয়োজন বলে জানান তিনি। অর্থাৎ বর্তমান ভ্যাকসিন ভাইরাসের লাগাতার মিউটেশনকে নাও রুখতে পারে, সেই সম্ভাবনার কথা ভেবেই এ কথা বলছেন রাঘবন, এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের। উল্লেখ্য, একাধিক ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থা ইতিমধ্যেই ভ্যারিয়েন্টের উপযোগী ভ্যাকসিন তৈরি বা বর্তমান ভ্যাকসিনে সেই রূপে উন্নতিসাধনের কাজ চালাচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে লকডাউনের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও লকডাউন জারির পথে হাঁটতে যে চায় না সরকার, সে বার্তা আগেই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । এই প্রেক্ষিতে মারণভাইরাসকে ঠেকাতে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলোতে লকডাউন জারির পরামর্শ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট । অতিমারী মোকাবিলা করার বিষয়ে এক শুনানিতে রবিবার লকডাউন সংক্রান্ত একটি নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।
দেশের শীর্ষ আদালত বলেছে, 'অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেলাগাম সংক্রমণ হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, সংক্রমণ রোধে ভবিষ্যতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে পরিকল্পনা করতে।' সর্বোচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, 'লকডাউনের জেরে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে যে প্রভাব পড়ে, বিশেষত প্রান্তিক সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে, সে ব্যাপারে আমরা অবগত। কিন্তু, লকডাউন জারি করলে প্রান্তিক মানুষরা যাতে আতান্তরে না পড়েন সে দিকে নজর রাখতে হবে।'

Your Opinion

We hate spam as much as you do