বিএসএফ গোয়েন্দা সংস্থার প্রাপ্ত তথ্যের উপর নির্ভর করে সেক্টর কলকাতা ১১২ নং ব্যাটালিয়ন সীমা চৌকি বিথারির জওয়ানদের তৎক্ষণাৎ সতর্ক করে দেয় । কোম্পানি কমান্ডার নিজেই একটি বিশেষ টিম নিয়ে তথ্য অনুসারে ওৎ পেতে থাকেন।আনুমানিক বেলা ১১ টা ৫মিনার নাগাদ সন্দেহভাজন এক মোটরসাইকেল চালককে আমুদিয়া থেকে মসলন্দপুরের দিকে যেতে দেখে
চোরাকারবারী ধরা পড়ল স্বরুপনগরে। পেত মাত্র ১ হাজার টাকা
মাত্র ১ হাজার টাকার লোভে ধরা পড়ে গেল এক চোরাকারবারী।তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৭১২ গ্রাম ওজনের সোনার বাট।যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৩৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৩২১ টাকা।বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার বিথারিতে। বাংলাদেশ থেকে ওই অত পরিমাণ সোনার বাট ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।ধৃত চোরাকারবারীর নাম হাফিজুল সরদার।স্বরূপনগর থানার আমুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
বিএসএফ গোয়েন্দা সংস্থার প্রাপ্ত তথ্যের উপর নির্ভর করে সেক্টর কলকাতা ১১২ নং ব্যাটালিয়ন সীমা চৌকি বিথারির জওয়ানদের তৎক্ষণাৎ সতর্ক করে দেয় । কোম্পানি কমান্ডার নিজেই একটি বিশেষ টিম নিয়ে তথ্য অনুসারে ওৎ পেতে থাকেন।আনুমানিক বেলা ১১ টা ৫মিনার নাগাদ সন্দেহভাজন এক মোটরসাইকেল চালককে আমুদিয়া থেকে মসলন্দপুরের দিকে যেতে দেখে। কাছে আসতে মোটরসাইকেল চালককে থামানোর চেষ্টা করলে সে আমুদিয়ার দিকে পালানোর চেষ্টা করে।
সতর্কিত বি এস এফের জওয়ানরা মোটরসাইকেল চালককে ধরে ফেলে এবং তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৭১২ গ্রাম সোনা উদ্ধার করে। জওয়ানরা সোনা বাজেয়াপ্ত করে এবং চোরাচালানকারীকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেয় । প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধরা পড়া চোরাকারবারি হাফিজুল সরদার বলে যে সে একজন ভারতীয় নাগরিক। কিছুদিন ধরে সে বিভিন্ন ধরণের পাচারের সাথে জড়িত । সে আরও প্রকাশ করে যে আজ সকালে সে আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিকটবর্তী বাংলাদেশি চোরাকারবারি রফিকুল গাজী (গ্রাম + পোস্ট অফিস- কাকডাঙ্গা, জেলা-সাতক্ষীরা) এর কাছ থেকে এই সোনার বারটি নিয়েছিলো এবং সোনা তার মোটরসাইকেলে লুকিয়ে মসলন্দপুরের বাসিন্দা সফিকুল সরদারকে দেওয়ার কথা ছিল।যার জন্য সে সফিকুল সরদারের কাছ থেকে এক হাজার টাকা পেতো। আটক কৃত সোনা আরও আইনি কার্যক্রমের জন্য কাস্টম অফিস , তেঁতুলিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে।১১২ নং ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডিং অফিসার চন্দ্রশেখর, প্রদীপ ভার্মা সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। জওয়ানদের মনোবল ও সাফল্যকে বাড়াতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে জওয়ানদের ভূয়সী প্রশংসা করেন । তিনি বলেছেন যে নতুন নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে পাচারকারীরা তার এলাকায় পাচার করার চেষ্টা করছে। চোরাচালান বন্ধ করার জন্য তিনি চোরাচালানের সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তি এবং এলাকার পুলিশ অফিসার ও তার অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা চেয়েছেন।
We hate spam as much as you do