Tranding

05:19 PM - 04 Feb 2026

Home / Other Districts / ২দিনে বকেয়া ডিএর দাবীতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলকারীদের; মুখ্যসচিবকে চিঠি

২দিনে বকেয়া ডিএর দাবীতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলকারীদের; মুখ্যসচিবকে চিঠি

রাজ্য সরকারের জন্য তাঁরা দুদিনের সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের তরফে। এই দুদিনের মধ্যে তাঁদের ডিএ না মিটিয়ে দিলে তাঁরা লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবেন। এ প্রসঙ্গে আন্দোলনকারী ভাস্কর ঘোষ বলেন, “আমাদের দাবি মানা না হলে আমরা কোনও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেব না। আমরা বাড়তি কিছু চাইছি না। আমাদের প্রাপ্যই আমরা চাইছি। আমাদের মহার্ঘ ভাতা দিতে গিয়ে যদি ভাঁড়ার শূন্য হওয়ার বাহানা দেন তাহলে যতরকমভাবে সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করা যায় ততরকমভাবেই করা হবে।

২দিনে বকেয়া ডিএর দাবীতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলকারীদের;  মুখ্যসচিবকে চিঠি

২দিনে বকেয়া ডিএর দাবীতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলকারীদের;  মুখ্যসচিবকে চিঠি
 
Feb 14, 2023 


 ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়ল। পঞ্চায়েত ভোটে,  ভোট কর্মীর দায়িত্ব না পালন করার হুঁশিয়ারি। নির্বাচন কমিশনকে  চিঠি আন্দোলনকারী দের। চিঠি দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবকেও। বকেয়া ডিএ না মিললে লাগাতার কর্মবিরতিরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, ডিএ  আন্দোলনকারীদের সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে ইতিমধ্যেই চিঠি দেওয়া হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে। পাশাপাশি চিঠি দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবকে। সেখানেই তাঁরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন দ্রুত তাঁদের বকেয়া ডিএ না দেওয়া হলে তাঁরা আগামীর নির্বাচন কমিশনে অংশ নেবেন না। অর্থাৎ, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেখানে তাঁরা কোনওভাবেই অংশ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। 


অন্যদিকে রাজ্য সরকারের জন্য তাঁরা দুদিনের সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের তরফে। এই দুদিনের মধ্যে তাঁদের ডিএ না মিটিয়ে দিলে তাঁরা লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবেন। এ প্রসঙ্গে আন্দোলনকারী ভাস্কর ঘোষ বলেন, “আমাদের দাবি মানা না হলে আমরা কোনও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেব না। আমরা বাড়তি কিছু চাইছি না। আমাদের প্রাপ্যই আমরা চাইছি। আমাদের মহার্ঘ ভাতা দিতে গিয়ে যদি ভাঁড়ার শূন্য হওয়ার বাহানা দেন তাহলে যতরকমভাবে সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করা যায় ততরকমভাবেই করা হবে। এর সঙ্গে প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট ধরে ধরে কর্মচারিরা দুর্নীতিগুলিও তুলে ধরবেন। আমরা দুদিন সরকারকে সময় দিয়েছি। এরমধ্যে ডিএ দেওযার ঘোষণা না হলে আমরা কর্মবিরতির ঘোষণা করে দেব।”

 

এই ইস্যুতে তৃণমূল সরকাররে বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় তোপ দাগতে দেখা গিয়েছে বাম নেতা সুজন চক্রবর্তীকে। রীতিমতো আগ্রাসী সুরে তিনি বলেন, “কর্মচারিদের দাবি নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। আসলে এই সরকার অপদার্থ। গ্রামের গরিব মানুষের টাকা লুঠ করছে। যুবকদের কাজের অধিকার লুঠ করছে। কর্মচারিদের হকের ডিএ লুঠ করছে। এদের দাবি এবং আন্দোলন খুবই স্বাভাবিক।” তোপ দেগেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। তিনি বলেন, “ওরা তো আর দিদির দলের লোকদের মতো বোমা-পিস্তল ধরতে পারবেন না। ওদের কাছে বোমার মশলা আছে বলে তো আমার জানা নেই। তাই তাঁরা গণতান্ত্রিক পথে আন্দোলন করবে। সেটাই করেছে। তার জন্য যদি মনে হয় পঞ্চায়েত ভোট অংশ নেবে না, তো নেবে না। সরকারের টনক নাড়ানোর জন্য সব কিছুই করতে হয়।”

Your Opinion

We hate spam as much as you do