শুক্রবার দমদমের দুই প্রান্তে দুই প্রচার কর্মসুচিতে এই মর্মেই আহ্বান জানালেন সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ। মিছিলে ছিলেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। জনসভায় বক্তব্য রাখেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এদিন ডানলপ থেকে কামারহাটির মিছিলে অংশ নেন প্রার্থী সুজন চক্রবর্তীর সঙ্গে সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। বি টি রোড রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রোডের সংযোগস্থল থেকে কামারহাটি পর্যন্ত চলে।
দমদমে সুজনের সমর্থনে ইয়েচুরি কামারহাটির মহামিছিলে সাড়া
24 May 2024
দমদম লোকসভা কেন্দ্রে জাতীয় কংগ্রেস সমর্থিত বামফ্রন্ট প্রার্থী সুজন চক্রবর্তীর সমর্থনে এক বিরাট মহা মিছিল প্রত্যক্ষ করল কামারহাটি বিধানসভা অঞ্চলের মানুষ। দমদম লোকসভা কেন্দ্রে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা সারা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল বিজেপি মেরুকরণের যে আবহাওয়া তৈরীর চেষ্টা হচ্ছে তা একেবারেই নেই দমদমে মূলত লড়াই বর্তমান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বনাম সিপিআইএমের প্রাক্তন সাংসদ সুজন চক্রবর্তী প্রচারের আলোয় দমদমের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রেই এরাই প্রতিভাত।
বাঁচাতে হবে দেশকে। বাঁচাতে হবে বাংলাকে। আর দেশের সংসদে জনতার দাবি নিয়ে যেতে হবে । বিভাজন আর দুর্নীতির শক্তি তা পারবে না। তাই জয়ী করতে হবে বামপন্থীদের। মেহনতীর দাবি তুলতে হবে সংসদে, দমদম কেন্দ্রে জেতাতে হবে সুজন চক্রবর্তীকে।
শুক্রবার দমদমের দুই প্রান্তে দুই প্রচার কর্মসুচিতে এই মর্মেই আহ্বান জানালেন সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ। মিছিলে ছিলেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। জনসভায় বক্তব্য রাখেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এদিন ডানলপ থেকে কামারহাটির মিছিলে অংশ নেন প্রার্থী সুজন চক্রবর্তীর সঙ্গে সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। বি টি রোড রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রোডের সংযোগস্থল থেকে কামারহাটি পর্যন্ত চলে। ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক মানস মুখার্জি, চিকিৎসক নারায়ণ ব্যানার্জি প্রমুখ। ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ।
সুজন চক্রবর্তীর প্রচারে এদিন যোগ দিয়েছেন প্রদেশে কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরীও।
জনসভায় বক্তব্য রাখেন সেলিম। বক্তব্য রাখেন প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী, জাতীয় কংগ্রেসদের রাজ্য নেতৃত্ব।
পানিহাটি বামফ্রন্ট এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ডাকে এদিনই অমরাবতী মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন মীনাক্ষী মুখার্জি। অধীর চৌধুরীর পাশাপাশি বক্তব্য রাখেন সিপিআই রাজ্য সম্পাদক স্বপন ব্যানার্জি, ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা হরিপদ বিশ্বাস প্রমুখ।
ইয়েচুরি বলেন, ‘‘ভারত ও বাংলাকে বাঁচাতে হবে। বিজেপি ও তৃণমূলকে হারাতে হবে। লক্ষ্য এটিই। এ রাজ্যে এটিই প্রধান দায়িত্ব। ভারত এবং বাংলাকে সবদিক থেকে ভুলুন্ঠিত করেছে এই দুই দল।’’
ইয়েচুরি বলেন, ‘‘সংসদে মানুষের কথা বলার লোক দরকার। মেহনতির দাবি নিয়ে বলার লোক দরকরা। শিক্ষা। কাজের দাবি তোলার মতো সাংসদ দরকার। দমদম কেন্দ্রে সে কাজ করতে পারেন কেবল সুজন চক্রবর্তীই। তাঁকে জয়ী করুন। কাস্তে হাতুড়ি তারা চিহ্নে ভোট দিন।’’
অধীর চৌধুরী বলেছেন, ‘‘বিজেপি আর তৃণমূলকে দেখছেন অনেকদিন ধরে। কে ভালো আর কে খারাপ বুঝে গিয়েছেন। নিজেদের অভিজ্ঞতায় ভোট দিন, সিদ্ধান্ত নিন। ভোট মানে আপনাকে প্রতিবাদ করতে হবে বিভাজনের, দুর্নীতির। জয়ী করুন সুজন চক্রবর্তীকে।’’
সেলিম জনসভায় বলেছেন, ‘‘সমাবেশের কথা নিয়ে এই পাঁচদিন পৌঁছাতে হবে মানুষের কাছে। পাড়ায়, মহল্লায়। ১ জুন ভোট এই কেন্দ্রে। এই পাঁচদিন পরিশ্রম করতে হবে, মেহনত করতে হবে। যাতে আগামী পাঁচ বছর মেহনতীর দাবি আর মেহনিতর কথাতেই আলোড়িত হয় দেশের সংসদ।’’
ভোট প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশনের তথ্য চাপার প্রয়াসের সমালোচনা করেন সেলিম। তিনি বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোটে কারচুপি করে জিতেছে বিজেপি। আর দেশের ভোটে একই কায়দা নিতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদী। আমরা বলছি, যে বাক্স বদলাতে আসবে তার নক্সা বদলে যাবে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ পৌঁছে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।’’
সেলিমও বলেছেন, ‘‘দেশ আর রাজ্যকে বাঁচাতে হলে জয়ী করতে হবে বামপন্থীদের। লক্ষ্য আমাদের এক, দেশ থেকে বিজেপি হটাও। আর আমরা বলছি ধর্মের নামে রাস্তায় নেমে শোরগোল করে মেহনতির মধ্যে বিভেদ তৈরি করো না। রাস্তা সবার। সবাইকে তার জীবনের কথা বলতে দিতে হবে। সেই দেশ আমরা চাই। সেই রাজ্য আমরা চাই। তাই জয়ী করতে হবে বামপন্থীদের, এই কেন্দ্রে সুজন চক্রবর্তীকে।’’
We hate spam as much as you do