কিন্তু এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের জন্য খোলা হয়নি স্কুল গুলি। তাই এই জয়কে তাঁরা তাদের অংশের জয় হিসেবেই ধরে নিয়েছেন। আন্দোলনের চাপে যখন রাজ্য সরকার এতটা করেছেন এরপর বাকিটাও হবে
রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের চাপে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুল-কলেজ চালুর, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ফের খুলছে স্কুল। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত ‘পাড়ায় শিক্ষালয়’। ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
৩ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে খুলছে স্কুল-কলেজ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
গত বছর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কার শুনিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতর। সেই আশঙ্কা থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। ঘোষণা করা হয় ৩ জানুয়ারি থেকে বন্ধ রাজ্যের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দৈনিক সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতেই স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় এক মাস পর রাজ্যের স্কুলগুলির পাশাপাশি ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বঙ্গে খুলছে বেসরকারি স্কুলও। ‘সরকারি বিধি মেনেই খুলবে স্কুল।’জানালেন আইসিএসই কাউন্সিলের সিইও। ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে খুলছে সিবিএসই স্কুলও।
উল্লেখ্য গত বছর ১২ ফেব্রুয়ারি ১০ মাস পর খোলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এরপর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয় স্কুল কলেজ। গত বছর অক্টোবর মাসে মুখ্যমন্ত্রী জানান নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কোভিড বিধি মেনে শুরু হবে ক্লাস। এরপর ১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্যে খোলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার টেস্ট শেষ হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন বামেরা। রীতিমতো লাল আবির উড়িয়ে তাদের জয়কে আরও বাড়িয়ে তোলেন তাঁরা। এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য জানান, দু’বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ ছিল। এসএফআই ছাত্রসংগঠনই প্রথম যারা এর বিরোধিতা করে শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিল। তারপর তাদের দেখাদেখি আরও অন্যান্য রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলি পথে নামলেও বিভিন্ন বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাদেরকে। শাসকদল জনসাধারণকে সরিয়ে রেখে তারপরে নিজেদের কাজ করতে চেয়ে ছিলেন। কিন্তু বাম ছাত্রসংগঠন সবসময়ই মানুষের জন্য এবং মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছে বলে দাবি তাদের।
এদিকে সোমবার গোটা রাজ্যজুড়ে দফায় দফায় বিভিন্ন জায়গায় এসএফআই ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ নজরে এসেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রী এই ঘোষণা করেছেন বলে জানান সৃজন । তবে এখানেই তাদের আন্দোলন থামছে না। এখনও বেশ কিছু দাবি পূরণ হয়নি তাদের। প্রাথমিক স্তর থেকে সকল ক্লাস গুলি খোলার দাবি জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের জন্য খোলা হয়নি স্কুল গুলি। তাই এই জয়কে তাঁরা তাদের অংশের জয় হিসেবেই ধরে নিয়েছেন। আন্দোলনের চাপে যখন রাজ্য সরকার এতটা করেছেন এরপর বাকিটাও হবে বলে আশাবাদী তাঁরা।
We hate spam as much as you do