Tranding

06:45 PM - 04 Feb 2026

Home / National / বিজেপি নেতার ছেলের রিসর্টে রোজই   দেহব্যবসা আর মাদক সেবন চলত

বিজেপি নেতার ছেলের রিসর্টে রোজই   দেহব্যবসা আর মাদক সেবন চলত

পুলিশের দাবি, উত্তরাখণ্ডে সাসপেন্ডেড বিজেপি নেতার ছেলের রিসর্টে রোজই চলত মাদক সেবন আর দেহব্যবসা। রিসর্টের প্রাক্তন কর্মীদের কাছ থেকেই এই তথ্য জানা গিয়েছে। মুখ খুললে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে, এমনই ভয় দেখাতেন পুলকিত ও তাঁর সবকারীরা। শুধু তাই নয়, মাদক ও দেহব্য়বসা রমরমিয়ে চলতেই ওই রিসর্টটি একধরনের চক্রবূহে পরিণত হয়েছিল। যারা কাজে যোগ দিতেন, তারা সমস্ত কিছু জানার পর চাইলেও কাজ ছাড়তে পারতেন না। কেউ চাকরি ছাড়তে চাইলেই তাঁর বিরুদ্ধে চুরি ও হেনস্থার মিথ্যা মামলা করা হত বলেও অভিযোগ। কর্মীদের ওপর মানসিক নির্যাতন করা হত বলে দাবি করেছেন রিসর্টের প্রাক্তন কর্মীরা

বিজেপি নেতার ছেলের রিসর্টে রোজই   দেহব্যবসা আর মাদক সেবন চলত

বিজেপি নেতার ছেলের রিসর্টে রোজই   দেহব্যবসা আর মাদক সেবন চলত

Sep 29, 2022

উত্তরাখণ্ডের ১৯ বছর বয়সী রিসেপশনিস্ট খুনের তদন্তে নেমে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য এল পুলিশের হাতে। ১৯ বছর বয়সী অঙ্কিতা ভান্ডারির খুনের ঘটনাকে ঘিরে তোলপাড় দেবভূমি উত্তরাখণ্ড। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি ফাস্ট ট্রাক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। অঙ্কিতার পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। এদিকে, তদন্তে নেমেই বিজেপি নেতার ছেলের রিসর্ট সম্পর্কে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে পুলিশের হাতে। পুলিশের দাবি, রিসর্টের ব্যবসার আড়ালে সেখানে চলত মাদক ও দেহ ব্যবসা।


সূত্রের খবর, অঙ্কিতার মৃত্যুর তদন্তে নেমেই দেহব্যবসার বিষয়টি জানতে পারে পুলিশ। খুন হওয়ার আগে অঙ্কিতা জানিয়েছিল, গরিব হলেও, ১০ হাজার টাকার জন্য নিজেকে বিকিয়ে দিতে রাজি নয় সে। এরপরই পুলিশের অনুমান, ওই বিলাসবহুল রিসর্টের রিসেপশনিস্ট হিসাবে কর্মরত অঙ্কিতাকেও দেহব্যবসায় নামাতে চেয়েছিল রিসর্টের মালিক পুলকিত আর্য। অঙ্কিতা রাজি না হওয়াতেই তাঁকে রিসর্টের দুই কর্মীর সহায়তায় খুন করে এবং দেহ খালে ফেলে দেয়।

পুলিশের দাবি, উত্তরাখণ্ডে সাসপেন্ডেড বিজেপি নেতার ছেলের রিসর্টে রোজই চলত মাদক সেবন আর দেহব্যবসা। রিসর্টের প্রাক্তন কর্মীদের কাছ থেকেই এই তথ্য জানা গিয়েছে। মুখ খুললে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে, এমনই ভয় দেখাতেন পুলকিত ও তাঁর সবকারীরা। শুধু তাই নয়, মাদক ও দেহব্য়বসা রমরমিয়ে চলতেই ওই রিসর্টটি একধরনের চক্রবূহে পরিণত হয়েছিল। যারা কাজে যোগ দিতেন, তারা সমস্ত কিছু জানার পর চাইলেও কাজ ছাড়তে পারতেন না। কেউ চাকরি ছাড়তে চাইলেই তাঁর বিরুদ্ধে চুরি ও হেনস্থার মিথ্যা মামলা করা হত বলেও অভিযোগ। কর্মীদের ওপর মানসিক নির্যাতন করা হত বলে দাবি করেছেন রিসর্টের প্রাক্তন কর্মীরা। যদিও এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে রিসর্টের বর্তমান কর্মীরা। কেউই অঙ্কিতা বা রিসর্টের মালিক পুলকিত সম্পর্কে মুখ খুলতে রাজি নন।


১৯ বছরের অঙ্কিতার মৃত্যুর তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। সিটের সদস্যরা তদন্তে নেমেই একটি স্কুটার ও মোটরবাইক উদ্ধার করেছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, অঙ্কিতার দেহ লোপাট করতে এই স্কুটার ও বাইকটি ব্যবহার করা হয়েছিল। যাবতীয় প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করেছিল মূল অভিযুক্ত পুলকিত আর্য।

Your Opinion

We hate spam as much as you do