মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে নজরুল মঞ্চে সাংগঠনিক বৈঠক শুরুর আগে জয়প্রকাশ মজুমদারের তৃণমূলে স্বাগত জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সি। তাঁরা জয়প্রকাশ মজুমদারের হাতে পতাকা তুলে দেন।
বিজেপি থেকে 'বহিষ্কৃত’ জয়প্রকাশ তৃণমূলে যোগ দিলেন
মমতার উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন ‘বহিষ্কৃত’ জয়প্রকাশ। ২০১৯ এ জয়প্রকাশকে লাথি মারার অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল স্বেচ্ছাসেবকদের বিরুদ্ধে।। ২০২২ এ সেই জয়প্রকাশ তৃণমূলে যোগ দিলেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে নজরুল মঞ্চে দলের সাংগঠনিক সভায় উপস্থিত হয়ে তিনি যোগ দেন তৃণমূলে। সোমবারই তিনি বৈঠক করেছিলেন বিজেপির 'বিদ্রোহী' নেতারা। সেই বৈঠকে ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। তার পরদিনই তিনি তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিলেন। একইসঙ্গে তৃণমূলের পতাকা তুলে নিলেন তিনি।
মঙ্গলবার জয়প্রকাশ মজুমদারের পদক্ষেপে স্পষ্ট হয়ে যায় তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। সেইমতোই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বিজেপির বিদ্রোহী এই নেতা তৃণমূলে যোগ দিলেন এদিনই। এখন দেখার, বিজেপিতে কি আরও বড় ভাঙন অপেক্ষা করে আছে? তাঁর সঙ্গে বিদ্রোহী সমস্ত নেতারাও তৃণমূলের দিকে আসেন কি না, তার অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল।
মঙ্গলবার জয়প্রকাশ মজুমদারের পদক্ষেপে স্পষ্ট হয়ে যায় তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। সেইমতোই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বিজেপির বিদ্রোহী এই নেতা তৃণমূলে যোগ দিলেন এদিনই। এখন দেখার, বিজেপিতে কি আরও বড় ভাঙন অপেক্ষা করে আছে? তাঁর সঙ্গে বিদ্রোহী সমস্ত নেতারাও তৃণমূলের দিকে আসেন কি না, তার অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল। জয়প্রকাশ মজুমদারের সঙ্গে এদিন যোগ দেন ছাত্র নেতা তন্ময় বোস।
তৃণমূলের সমর্থনে পুর-চেয়ারম্যান হবেন বিজেপির হিরণ, নয়া সমীকরণে জল্পনা খড়গপুরেতৃণমূলের সমর্থনে পুর-চেয়ারম্যান হবেন বিজেপির হিরণ, নয়া সমীকরণে জল্পনা খড়গপুরে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে নজরুল মঞ্চে সাংগঠনিক বৈঠক শুরুর আগে জয়প্রকাশ মজুমদারের তৃণমূলে স্বাগত জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সি। তাঁরা জয়প্রকাশ মজুমদারের হাতে পতাকা তুলে দেন। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জয়প্রকাশ সিনিয়র নেতা। তাঁকে রাজ্য সহ সভাপতি করা হোক। আর তন্ময়কে সাধারণ সম্পাদক করার কথা বলেন তিনি।
তৃণমূলে জয়প্রকাশ, 'অবাধ্য সৈনিকের প্রয়োজন নেই', কটাক্ষ সুকান্ত মজুমদারেরতৃণমূলে জয়প্রকাশ, 'অবাধ্য সৈনিকের প্রয়োজন নেই', কটাক্ষ সুকান্ত মজুমদারের
বিজেপিতে রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে গিয়েছে
একুশের নির্বাচনের পর থেকেই জয়প্রকাশ মজুমদার বিজেপিতে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিলেন। দলের সাংগঠনিক রদবদলের পর তিনি গর্জে ওঠেন বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। তিনি বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)অমিতাভ চক্রবর্তী-কে নিশানা করেন। তাঁরা দল চালানোর অযোগ্য বলেই বিজেপিতে রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে গিয়েছে।
জয়প্রকাশ এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্তুতি করে বিজেপির দুই নেতা সুকান্ত মজুমদার ও অমিতাভ চক্রবর্তীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই দুই তৎকাল নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সাড়ে তিন দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন লড়াকু নেত্রীর বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো যোগ্যমুখ নয়। তাঁদের অযোগ্যতাই দলকে ডোবাচ্ছে বলে সরব হয়েছিলেন বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে।
We hate spam as much as you do