ছাত্র খুনের এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিপিএম-এর পলিটব্যুরো সদস্য মহঃ সেলিম। তিনি বলেছেন, আনিস খান আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল। তিনি বলেছেন, গত ১৩৭ দিন ধরে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ধর্নায় বসে রয়েছে, মিছিল করছে। তিনি অভিযোগ করেন, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবায়নের সময়ে ধর্মীয় জিগির তুলেছিলেন এখনকার তৃণমূল নেতারা।
পুলিশ সেজে ছাত্র খুনে হাওড়ার আমতায় উত্তেজনা , মমতার সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মহঃ সেলিম
পুলিশ সেজে ছাত্র খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত হাওড়ার আমতা । শুক্রবার গভীর রাতে পুলিশের পোশাকে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিস খানের (Anis Khan) বাড়িতে যায় চারজন। পরে আনিস খানকে ছাদ থেকে ফেলে খুন করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য মহঃ সেলিম । অন্যদিকে তদন্ত ঠিক পথে না এগোলে মামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।
ছাত্র খুনের এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিপিএম-এর পলিটব্যুরো সদস্য মহঃ সেলিম। তিনি বলেছেন, আনিস খান আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল। তিনি বলেছেন, গত ১৩৭ দিন ধরে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ধর্নায় বসে রয়েছে, মিছিল করছে। তিনি অভিযোগ করেন, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবায়নের সময়ে ধর্মীয় জিগির তুলেছিলেন এখনকার তৃণমূল নেতারা। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর গত একদশক ধরে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে তিল তিল করে শেষ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বাম আমলে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে পার্কসার্কাসে জমি দেওয়া হলেও, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সেই জমি নিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
তদন্ত ঠিক পথে না এগোলে মামলার হুঁশিয়ারি আইএসএফ বিধায়কের
তদন্ত ঠিক পথে না এগোলে মামলার হুঁশিয়ারি আইএসএফ বিধায়কের
এদিন রাজ্যের একমাত্র আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি আমতার আনিস খানের বাড়িতে যান। পাশাপাশি তিনি আমতা থানায় গিয়েও কথা বলেন। তিনি জানিয়েছেন এসডিপিও উলুবেড়িয়া, আমতার আইসি, ডিএসপি-সহ পুলিশের উচ্চ আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। তাঁরা আনিসের বাড়িতে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন নওশাদ। তিনি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব হল কে পুলিশের পোশাকে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে তা খুঁজে বের করা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি আনিসের পরিবার যদি অভিযোগ করে তদন্ত ঠিকপথে এগোচ্ছে না, তাহলে আদালতে গিয়ে সেই সময় থানায় যে আধিকারিকরা ছিলেন, তাদের মামলায় পার্টি করতে বাধ্য হবে আইএসএফ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব অনেকেই
এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেককেই সরব হতে দেখা গিয়েছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ঘরে ঢুকে আইএসএফ-এর ছাত্র নেতা আনিস খানকে খুন করেছে। অনেকে আবার এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র নেতাকে খুনের প্রতিবাদ করে রাস্তায় নামার আহ্বান করেছেন।
We hate spam as much as you do