যদিও বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংস্থা এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এইভাবে বিনা নোটিশে কোনো সংবাদ সংস্থার অফিসে বা কোন রাজনৈতিক দলের অফিসে আচমকা হানা, গণতন্ত্রকে প্রশ্ন চিহ্নে ফেলে দেয় বলে মনে করেন ওয়াকিবহাল মহল।
বিনা নোটিশে ইয়েচুরির সরকারি বাসভবনে দিল্লি পুলিশ হানা দিয়ে ল্যাপটপ কেড়ে নিল।
October 3, 2023
নিউজ ওয়েব পোর্টাল নিউজক্লিকের এক কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে মঙ্গলবার সকাল 6.30 টায় দিল্লি পুলিশের আধিকারিকদের একটি দল CPI(M) এর সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির সরকারি বাসভবন 36 রবিশঙ্কর শুক্লা লেনে পৌঁছেছে।
ান
মিঃ ইয়েচুরির সরকারী মনোনীত বাসভবনটি কিষান সভা সংগঠনের অফিস স্পেস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। নিউজক্লিকের কর্মী, সুমিত কুমার, যিনি একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন, তিনিও সেখানে থাকেন। সূত্রের মতে, দিল্লি পুলিশের দল তাকে দুই ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল, তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে সে কখন সংগঠনে যোগদান করেছিল, তাকে কত বেতন দেওয়া হয় এবং অন্যান্য কর্মীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। অন্যান্য মামলার মতো দিল্লি পুলিশের দল মি. কুমারের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ কেড়ে নেয়
উল্লেখ্য কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচক এই নিউজক্লিক (Newsclick) নামের ওই নিউজ ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে UAPA ধারায় মামলা দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার সকালে ওই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ১২ জন সাংবাদিকের বাড়িতে হানা দেয় দিল্লি পুলিশের বিশেষ দল। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাংবাদিকদের জেরার জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক ইয়েচুরির সরকারি বাসভবনেও তল্লাশি চালায় দিল্লি পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত আগস্ট মাসেই নাকি চিনা (China) প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল নিউজক্লিকের অন্যতম মালিক নেভিল সিংহমের বিরুদ্ধে। তার পরই নিউজক্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সেই মামলাতেই সাংবাদিকদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে দিল্লি পুলিশের বিশেষ দল। নিউজক্লিকের সঙ্গে যুক্ত থাকা এক সাংবাদিকের সূত্র ধরেই সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে যায় দিল্লি পুলিশ। ইয়েচুরির বলেন এফআইআর দেখানো হয়নি। কোন মামলায় তল্লাশি জানানো হয়নি। এভাবে যদি সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা হয়, তাহলে সেটার প্রতিবাদ হবে।
নিউজক্লিক সম্পাদক প্রবীর পুরকায়স্থ এবং লেখক পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা এবং উর্মিলেশ সহ কয়েকজন সাংবাদিককে লোধি রোড স্পেশাল সেল অফিসে আনা হয়েছিল, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, পুলিশ জানিয়েছে।
যদিও বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংস্থা এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এইভাবে বিনা নোটিশে কোনো সংবাদ সংস্থার অফিসে বা কোন রাজনৈতিক দলের অফিসে আচমকা হানা, গণতন্ত্রকে প্রশ্ন চিহ্নে ফেলে দেয় বলে মনে করেন ওয়াকিবহাল মহল।
We hate spam as much as you do