অশোক ভট্টাচার্য বললেন, "এবার বিসিসিআইয়ে থাবা বিজেপির। অসম্মানজনকভাবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে।"
AIFF এর পর BCCI তে বিজেপির থাবায় ক্ষুব্ধ অশোক ভট্টাচার্য্য
13th oct 22
তাঁর সঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ভাল। আর সেটা সবারই জানা। সৌরভের এখন দুঃসময়। আর এই সময় তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া জানাবেন না, তা কী হয়! শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র অশোক ভট্টাচার্যেরও সৌরভের জন্য মন খারাপ।
অশোক ভট্টাচার্য বললেন, "এবার বিসিসিআইয়ে থাবা বিজেপির। অসম্মানজনকভাবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে।"
বৃহস্পতিবার এই মন্তব্য করার পর আফসোসের সুর ছিল শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের মুখে। সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতির পদ থেকে সৌরভকে সরানোর সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। যা নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। মহারাজকে সরানো নিয়ে নিন্দায় সরব হয়েছেন বহু মানুষ। সৌরভ রাজনীতির শিকার বলে দাবি করেছেন অনেকে। এই নিয়ে সরব রাজ্য রাজনীতিও।
বিসিসিআই-এর নতুন সভাপতি হচ্ছেন রজার বিনি। তবে বিসিসিআইয়ের ওই সিদ্ধান্ত কার্যত মানতে নারাজ বহু ক্রিকেটপ্রেমী। এদিন অশোক ভট্টাচার্য বলেন, "যেভাবে সৌরভকে অসম্মানজনকভাবে সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়েছে সেটা কোনও দিনই কোনও ক্রিকেটপ্রেমী মেনে নিতে পারবে না। এটা স্পষ্ট যে বিজেপি বিসিসিআই দখল করেছে। তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এর আগে বিজেপি ফুটবলের এএইএফএফ দখল করেছে। বাইচুং ভুটিয়াকে রাজনীতি করে পরাজিত করা হয়েছে। নির্দেশ দিয়ে বিজেপি প্রার্থীকে জিতিয়েছে বিজেপি।"
তিনি আরও বলেন, "আমি চেয়েছিলাম সৌরভ যাতে কোন রাজনীতি না করে। অমিত শাহর মুখে সৌরভের নাম যেদিন শুনেছিলাম সেদিনই খারাপ লেগেছিল। রাজনীতির শিকার হওয়া যেমন উচিৎ নয়, তেমনই আবার একটা বিষয় আমার খারাপ লেগেছিল, যখন সিএবির ( ক্রিকেট এসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল) সভাপতির নাম হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী সৌরভ গাঙ্গুলির নাম ও বিসিসিআইয়ের সভাপতি হিসেবে অমিত শাহ সৌরভের নাম ঘোষণা করাটা ঠিক হয়নি। আমি খেলাধূলায় রাজনীতি ঘৃনা করি।"
We hate spam as much as you do