প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই’কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সচিব এবং সভাপতিকে সিবিআইয়ের দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি, ২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছেন। এই নির্দেশের কিছুক্ষন পরেই সন্ধ্যার দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান বিচারপতির বাড়িতে যান।
হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বাড়িতে মূখ্যমন্ত্রী, প্রাথমিকে সিবিআই তদন্তের নির্দেশের পরেই
প্রাথমিক টেটের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বাড়িতে গেলেন। প্রায় আধ ঘন্টা সেখানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই’কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সচিব এবং সভাপতিকে সিবিআইয়ের দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি, ২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছেন। এই নির্দেশের কিছুক্ষন পরেই সন্ধ্যার দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান বিচারপতির বাড়িতে যান। মুখ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক ভাবে প্রধান বিচারপতির বাড়িতে যাওয়া যথেষ্ট কৌতূহল তৈরি করেছে।
মুখ্যমন্ত্রী প্রায় আধ ঘন্টা প্রধান বিচারপতির বাড়িতে ছিলেন। হাইকোর্টের রায়ের পরেই মুখ্যমন্ত্রীর এই তৎপরতা নজর কেড়েছে। জানা গেছে, এর আগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জেরা পর্বেও একবার প্রধান বিচারপতির বাড়িতে গিয়েছিলেন। যদিও এবার কি কারণে মুখ্যমন্ত্রী প্রধান বিচারপতির বাড়িতে গিয়েছিলেন তা জানা যায়নি। তাঁদের মধ্যে কি নিয়ে কথা হয়েছে তাও জানা যায়নি।
আদালতের নির্দেশ মতো, সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার আগেই নিজাম প্যালেসে যান মানিক ভট্টাচার্য এবং রত্না চক্রবর্তী বাগচী। সিবিআই সূত্রে জানা গেছে, নিজাম প্যালেসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দু'জন করে অফিসার মানিক ভট্টাচার্য এবং রত্না চক্রবর্তী বাগচীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। আলাদা ঘরে বসিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের থেকে একই প্রশ্নে উত্তর পেতে চাইছেন সিবিআই-এর অফিসাররা। কিভাবে এই ২৬৯ জনকে নিয়োগ করা হল? তাঁদের নম্বর কেন বাড়ানো হয়েছে? কিসের ভিত্তিতে এই টেটের নম্বর বেড়েছে? সবকিছু জানতে চাই সিবিআই। দুই কর্তা ওই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তাঁদের দেওয়া সমস্ত উত্তর মিলিয়ে দেখবেন সিবিআইয়ের অফিসারেরা।
We hate spam as much as you do