আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন এবং বিষ্ণু জৈনের মতে, মসজিদের মধ্যে মন্দিরের একটি অংশ ছিল। জ্ঞানব্যাপী কমপ্লেক্সের পশ্চিম দেয়ালে, হিন্দু মন্দির ধ্বংসের ধ্বংসাবশেষ দৃশ্যমান এবং হিন্দু দেবদেবীর ছবিগুলিই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ বলে দাবি করা হয়েছে। এ জন্য আজ সোমবার মসজিদের অভ্যন্তরে চতুর্থ তালা খোলা হয়৷ শনিবার মসজিদে জরিপকালে প্রথম তিনটি কক্ষ খোলা হয়েছিল৷
জ্ঞানব্যাপী মসজিদে শিবলিঙ্গের খোঁজ? কোর্ট নির্দেশিত ভিডিওগ্রাফির কাজ শেষ
তৃতীয় ও শেষ দিনের ভিডিওগ্রাফি সম্পন্ন হয়েছে জ্ঞানব্যাপী মসজিদে৷ বারাণসী আদালত নির্দেশিত জ্ঞানব্যাপী মসজিদের এই সমীক্ষার দিকে তাকিয়ে ছিল সারা দেশ। ১৭ মে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে আদালতের। ১৬ মে জ্ঞানব্যাপী মসজিদে সমীক্ষা ও ভিডিওগ্রাফির কাজ শেষ হওয়ার পর পুরো সমীক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে থাকা আইনজীবী বিষ্ণু জৈন একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন যে জ্ঞানব্যাপী মসজিদে তৃতীয় দিনের সমীক্ষার সময় একটি কুয়োর মধ্যে শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে৷ দেশের পরিচিত সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়াটুডে তে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে৷
সংবাদমাধ্যমে আইনজীবী বিষ্ণু জৈন জানিয়েছেন, মসজিদের ভিতরের শিবলিঙ্গটির সুরক্ষার জন্য দেওয়ানী আদালতে যাবেন তিনি৷ সংবাদমাধ্যমের খবর শিবলিঙ্গটির ব্যাস ১২ ফুট বাই ৮ ইঞ্চি। আদালগে হিন্দুদের পক্ষের একজন আইনজীবী মদন মোহন যাদব দাবি করেছেন যে শিবলিঙ্গটি নন্দীমুখী। জ্ঞানব্যাপী মসজিদে সমীক্ষার জন্য কোর্টের তৈরি করে দেওয়া বিশেষ প্রতিনিধি দল সমীক্ষা পরিচালনা করতে আদালত-ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সেখানে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা ছিল। সমীক্ষার দ্বিতীয় দিন (রবিবার) মসজিদের এলাকাগুলির সমীক্ষা করা হয়েছিল।
আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন এবং বিষ্ণু জৈনের মতে, মসজিদের মধ্যে মন্দিরের একটি অংশ ছিল। জ্ঞানব্যাপী কমপ্লেক্সের পশ্চিম দেয়ালে, হিন্দু মন্দির ধ্বংসের ধ্বংসাবশেষ দৃশ্যমান এবং হিন্দু দেবদেবীর ছবিগুলিই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ বলে দাবি করা হয়েছে। এ জন্য আজ সোমবার মসজিদের অভ্যন্তরে চতুর্থ তালা খোলা হয়৷ শনিবার মসজিদে জরিপকালে প্রথম তিনটি কক্ষ খোলা হয়েছিল৷
বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দির সংলগ্ন জ্ঞানব্যাপী মসজিদ বর্তমানে আইনি লড়াইয়ের মধ্যে রয়েছে৷ বারাণসীর একটি আদালত ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগকে জ্ঞানভাপি মসজিদে সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। বারাণসী সহ দেশের সাধারণ হিন্দুরা জ্ঞানবাপী-শ্রীঙ্গার গৌরী কমপ্লেক্সে প্রতিদিন পূজা করার অনুমতি চাইছে। এর জন্যই আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদনকারীরা কমপ্লেক্সের সমীক্ষার দাবি করেছেন। হিন্দু তরফে বলা হয়েছে শ্রিংগার গৌরীর মূর্তির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হলে মসজিদের ভেতরে সমীক্ষা চালাতে হবে৷ এ কারণেই জ্ঞানব্যাপীর অভ্যন্তরে ভিডিওগ্রাফি ও সমীক্ষা করা হয়েছে।
মসজিদ পরিচালনা কমিটি (আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ) বলছে, শ্রিংগার গৌরীর মূর্তিটি মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে। তারা দাবি করে যে আদালত মসজিদের ভিতরে ভিডিওগ্রাফির অনুমতি দেয়নি। এবং সেটি উচিতও নয়৷ এবং এই বিষয়টি নিয়ে মুসলিমদের একটি প্রতিনিধি দল বারাণসী আদালতের রায়ের বিপক্ষে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে৷ প্রসঙ্গত দিল্লি ও আশেপাশের এলাকার মহিলা পাঁচজন মহিলা, রাখি সিং, লক্ষ্মী দেবী, সীতা সাহু এবং অন্যরা ১৮ এপ্রিল, ২০২১-এ তাদের দরখাস্ত নিয়ে বারাণসী আদালতে গিয়েছিলেন, জ্ঞানব্যাপী মসজিদের বাইরের দেয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তির সামনে দৈনিক প্রার্থনার অনুমতি চেয়েছেন তাঁরা৷
We hate spam as much as you do