সংগঠনগুলির অভিযোগ, "আরএসএস-বিজেপি’র নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের শাসনে দেশের শ্রমিক-কৃষক ও সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত। কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার, সংসদীয় ব্যবস্থা আক্রমণের মুখে। খাদ্যপণ্য, ওষুধ, জ্বালানি-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এর আগে রাজধানী দিল্লির বুকে ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনের কাছে ব্যর্থ হয় নরেন্দ্র মোদীর সরকার। কৃষি আইন বাতিল, কৃষি পণ্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য আইন প্রণয়ন সহ বিদ্যুৎ বিল বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবায়নের কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।"
দেশ জুড়ে ফের রাজভবন অভিযানে কলকাতায় কৃষক, শ্রমজীবীর জোয়ার
Nov 28, 2023,
দেশ জুড়ে ফের রাজভবন অভিযানে নেমেছে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন ও সংযুক্ত কিষান মোর্চা। সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকার রক্ষার লড়াই কর্মসূচিতে তাদের সঙ্গ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি। 26 থেকে 28 নভেম্বর কলকাতায় রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে সকাল 10টা থেকে সন্ধ্যা ছ'টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলছে। 28 নভেম্বর বেলা একটায় কলকাতার রাজভবন অভিযানের উদ্দেশ্যে হাজার হাজার শ্রমিক কৃষক শিয়ালদহ স্টেশন থেকে মিছিল করে এসেছে। এছাড়া হাওড়া থেকে আর একটি মিছিল এসেছে। একইভাবে বিভিন্ন রাজ্যের রাজভবনে অভিযান করছেন কৃষাণ মোর্চা ও কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।
সংযুক্ত কিষান মোর্চার পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি অমল হালদার বলেন, "আজ 26 থেকে 28 তারিখের কর্মসূচিকে সফল করতে জেলায় জেলায় প্রচার চলেছে। রাজ্যের প্রায় 25 হাজার কৃষক-কৃষিশ্রমিক 28 তারিখ রাজভবন অভিযানে অংশ নেবে।" কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির তরফে পশ্চিমবঙ্গের সিআইটিইউ নেতা অনাদি সাহু বলেন, "রাজ্যের সমস্ত শ্রমিক-কৃষক- শ্রমজীবী মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।"সংগঠনগুলির অভিযোগ, "আরএসএস-বিজেপি’র নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের শাসনে দেশের শ্রমিক-কৃষক ও সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত। কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার, সংসদীয় ব্যবস্থা আক্রমণের মুখে। খাদ্যপণ্য, ওষুধ, জ্বালানি-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এর আগে রাজধানী দিল্লির বুকে ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনের কাছে ব্যর্থ হয় নরেন্দ্র মোদীর সরকার। কৃষি আইন বাতিল, কৃষি পণ্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য আইন প্রণয়ন সহ বিদ্যুৎ বিল বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবায়নের কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।"
তাদের আরও দাবি, "গ্রামের গরিব মানুষ 100 দিনের কাজের টাকা পাচ্ছেন না, কৃষক ফসলের দাম পাচ্ছেন না অথচ কৃষি কাজে ব্যবহারযোগ্য উপকরণের দাম বিপুল হারে বেড়েছে। লাগামহীন বেসরকারিকরণ, বনাঞ্চলের জমি থেকে অধিবাসীদের উচ্ছেদ করে কর্পোরেটের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। গত 9 বছরে দেশের সাধারণ মানুষের সঞ্চিত আমানতের 14.56 লক্ষ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ মকুব করা হয়েছে। যা সাধারণ মানুষের টাকা ছিল। দেশের এই সার্বিক বিপর্যয়ে মোদী অমিত শাহ-র সরকার দায়ী।
We hate spam as much as you do