Tranding

05:20 PM - 04 Feb 2026

Home / Politics / কলকাতা ভোটে সিপিএমের পোস্টার হোর্ডিং ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলার অভিযোগ, ভোটের মুখেও উত্তপ্ত সেই ১২১ নম্বর ওয়ার্ড

কলকাতা ভোটে সিপিএমের পোস্টার হোর্ডিং ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলার অভিযোগ, ভোটের মুখেও উত্তপ্ত সেই ১২১ নম্বর ওয়ার্ড

যত দিন এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে কলকাতার আনাচ কানাচ। এবার ১২১ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থীর হোর্ডিং, পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

কলকাতা ভোটে সিপিএমের পোস্টার হোর্ডিং ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলার অভিযোগ, ভোটের মুখেও উত্তপ্ত সেই ১২১ নম্বর ওয়ার্ড

কলকাতা ভোটে সিপিএমের পোস্টার হোর্ডিং ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলার অভিযোগ, ভোটের মুখেও উত্তপ্ত সেই ১২১ নম্বর ওয়ার্ড

 


সিপিএমের পোস্টার হোর্ডিং ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলার অভিযোগ, ভোটের মুখেও উত্তপ্ত সেই ১২১ নম্বর ওয়ার্ড
সিপিএমের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ 

 

 
 যত দিন এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে কলকাতার আনাচ কানাচ। এবার ১২১ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থীর হোর্ডিং, পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

বেহালা ১২১ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম মনোনীত প্রার্থী আশিস মন্ডল সোমবার সকালে প্রচারে বেরিয়েছিলেন। সে সময় দলের পতাকা ছেঁড়া অবস্থায় ডাস্টবিনে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, রবিবার রাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাজ করেছে। বিভিন্ন জায়গাতেই এই একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এমনকি দলীয় পতাকা পুড়িয়েও দেওয়া হয়েছে বলে  তাঁর অভিযোগ।

আশিস মণ্ডলের কথায়, “গতকাল রাতেই আমাদের কর্মীরা এই অঞ্চলে ব্যানার-ফেস্টুন পতাকা লাগিয়েছিলেন। কিন্তু রাতেই তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীরা এই সব খুলে ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে। আমরা বিষয়টি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নজরে আনতে চাই। দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জন্য আবেদন জানাচ্ছি।”

আশিস মন্ডল বেহালা থানা ও নির্বাচন কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেছেন ইতিমধ্যেই। অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল প্রার্থী রূপক গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, “আমার সঙ্গে সকালেই আশিস মণ্ডলের দেখা হল। আমাকে ঘটনার কথা বলেছেন। তবে কে এই কাজ করেছেন, তা আমাকে বলেননি। আশিস মণ্ডল ছেলে হিসাবে ভালো। তবে কোন তৃণমূল কর্মীরা করেছেন, তার নামটা বলুন। তার নাম বললে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবেই।”

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে এই ওয়ার্ডটি ছিল বামেদের দখলে। ২০১০ সাল থেকে তা তৃণমূল নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। সেই থেকেই এই এলাকায় তৃণমূলের একচ্ছত্র আধিপত্য। ২০১৫ সালেও তৃণমূলের ক্ষমতা অব্যাহত থাকে।

 

 

Your Opinion

We hate spam as much as you do