Tranding

01:32 PM - 04 Feb 2026

Home / National / পরপর ঘৃণার ভাষন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হুঁশিয়ারি ‘স্বতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা না নিলেই আদালত অবমাননা’,

পরপর ঘৃণার ভাষন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হুঁশিয়ারি ‘স্বতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা না নিলেই আদালত অবমাননা’,

আদালত বলে, “আমরা মনে করি মৌলিক অধিকার রক্ষা করা এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধ বিশেষ করে আইনের শাসন এবং দেশের ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক চরিত্রকে রক্ষা ও সংরক্ষণ করা আদালতের দায়িত্ব। কিন্তু, বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলি পাশাপাশি সম্প্রীতিতে থাকতে না পারলে ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি হয় না।” এরপরই, আদালত ওই অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেয়। দিল্লি, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকারকে, তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘৃণাবচনের অপরাধের বিষয়ে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে আদালতে রিপোর্ট দাখিল করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে

পরপর ঘৃণার ভাষন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হুঁশিয়ারি ‘স্বতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা না নিলেই আদালত অবমাননা’,

পরপর ঘৃণার ভাষন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হুঁশিয়ারি ‘স্বতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা না নিলেই আদালত অবমাননা’, 
 

21st oct 2022


"What have we reduced God to," asked SC while hearing the plea.

"India is a secular country, religion neutral. People have freedom of expression," the top court said.


সম্প্রতি তিন দিনের ভারত সফরে এসে, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং হেট স্পিচ অর্থাৎ ঘৃণাবচন বৃদ্ধি নিয়ে ভারতের সমালোচনা করেছিলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তার দুদিন পরই, শুক্রবার (২১ অক্টোবর) এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, হেট স্পিচের বিষয়ে সতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে সরকারকে। না হলেই আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে হবে। আদালত বলেছে, “এটা একবিংশ শতাব্দী। ধর্মের নামে আমরা কোথায় পৌঁছে গিয়েছি? ধর্ম-নিরপেক্ষ একটি দেশের পক্ষে এই পরিস্থিতি অত্যন্ত বিস্ময়কর।”


শাহীন আবদুল্লা নামে জনৈক ব্যক্তি শীর্ষ আদালতে এই বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। দেশ জুড়ে ঘৃণামূলক অপরাধ এবং ঘৃণামূলক বক্তৃতার ঘটনাগুলির বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলিকে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন করেছিলেন তিনি। বিচারপতি কে এম জোসেফ এবং হৃষিকেশ রায়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এই মামলাটি শোনেন। দিল্লি, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারকে, যে কোনও হেট স্পিচের অপরাধের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, বক্তার ধর্ম নির্বিশেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই বিষয়ে কোনও দ্বিধাকে, আদালত অবমাননা হিসেবে দেখা হবে। অভিযোগ দায়েরের জন্য অপেক্ষা করা চলবে না।


এদিন আদালতে আবেদনকারী শাহীন আবদুল্লার পক্ষে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিবাল। তিনি আদালতে সাম্প্রতিক ‘হিন্দু সভায়’ বিজেপি নেতা পরবেশ ভার্মার বয়কটের আহ্বানের কথা উল্লেখ করেন। ওই সভায় জগৎগুরু যোগেশ্বর দত্তের করা মন্তব্যও আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়। আদালত জানতে চায়, মুসলিমরাও কি ঘৃণা বচনে সামিল? কপিল সিবাল জানান, যেই হেট স্পিচ দিক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।


আদালত বলে, “আমরা মনে করি মৌলিক অধিকার রক্ষা করা এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধ বিশেষ করে আইনের শাসন এবং দেশের ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক চরিত্রকে রক্ষা ও সংরক্ষণ করা আদালতের দায়িত্ব। কিন্তু, বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলি পাশাপাশি সম্প্রীতিতে থাকতে না পারলে ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি হয় না।” এরপরই, আদালত ওই অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেয়। দিল্লি, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকারকে, তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘৃণাবচনের অপরাধের বিষয়ে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে আদালতে রিপোর্ট দাখিল করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে

Your Opinion

We hate spam as much as you do